পর্তুগালে গেরো ছুটল আর্সেনালের

পর্তুগালের মাটিতে এর আগে ছয়বার চ্যাম্পিয়নস নকআউট পর্বের ম্যাচ খেললেও কখনোই জয়ের মুখ দেখেনি আর্সেনাল। সপ্তম চেষ্টায় এসে অবশেষে সেই গেরো কাটাল উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। ইনজুরি টাইমে কাই হাভার্টজের নাটকীয় গোলে পর্তুগিজ মাটির অভিশাপ কাটাল মিকেল আরতেতার দল। এই জয়ে স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও অক্ষুণœ রাখল তারা (৪ জয়, ৪ ড্র) ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুদল ছিল বেশ সতর্ক। তবে প্রথমার্ধে স্পোর্টিং লিসবনই প্রথম বড় সুযোগটি পায়। মাক্সি আরাউজোর বাঁ পায়ের জোরালো শট গোলরক্ষক ডেভিড রায়া কোনোমতে ক্রসবারে লাগিয়ে প্রতিহত করেন। ইনজুরিতে থাকা বুকায়ো সাকার পরিবর্তে নামা ননি মাদুয়েকে কর্নার থেকে সরাসরি গোল (অলিম্পিক গোল) করার চেষ্টা করলেও তা ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

প্রথমার্ধে আর্সেনাল ৭০ শতাংশ বল দখলে রাখলেও স্পোর্টিংয়ের রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে পারছিল না। স্বাগতিকরা রক্ষণাত্মক কৌশলে আর্সেনালের গতি কমিয়ে দিচ্ছিল। ফলে লুইস জাভিয়ের সুয়ারেজের মতো ভয়ঙ্কর স্ট্রাইকারও সুবিধা করতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলা আরও জমজমাট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ডিক্লান রাইস মাঝমাঠে একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে আর্সেনালকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। ৬০ মিনিটের দিকে মার্টিন জুবিমেন্ডির একটি কার্লিং শট জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল করে

দেন রেফারি।

ম্যাচ যখন গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই দৃশ্যপটে হাজির হন কাই হাভার্টজ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির অ্যাসিস্ট থেকে নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই জার্মান তারকা। পুরো স্টেডিয়ামকে নিস্তব্ধ করে দেওয়া এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য

গড়ে দেয়।