জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোতে সঠিকভাবে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স পরিচালিত না হলে তা বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ।
আজ শুক্রবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমন্ডি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য এ তথ্য জানান।
এ সময় উপাচার্য বলেন, সেশনজট কমাতে বিশেষ রোডম্যাপ করা হয়েছে। আশা করছি ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট থাকবে না।
তিনি বলেন, যত্রতত্র স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স খোলা হয়েছে। অনেক কলেজে শিক্ষক ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই, এগুলো আমরা রিভিউ করছি। আমরা নতুন করে কোর্স চালু করার প্রক্রিয়া বন্ধ রেখেছি। আর যেসব কলেজে সঠিকভাবে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স পরিচালিত হবে না তা বন্ধ করা হবে।
স্নাতক পর্যায়ে ইংরেজি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, প্রথম বর্ষের পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষেও ১০০ নম্বরের কমিউনিকেটিভ ইংলিশ কোর্স চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, আইসিটি শিক্ষায় দক্ষতা বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় বর্ষেও ১০০ নম্বরের আইসিটি কোর্স রাখা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে ৬০ শতাংশ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে ইতিমধ্যে অনেক কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। তবে বিভিন্ন কলেজে শিক্ষকসংকট রয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে ৬৫ থেকে ৭৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১২ হাজার প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল নিয়োগ প্রক্রিয়াও চলছে।