সর্বজনীন মুক্তির সোপানতলে

বাঙালির সর্বজনীন মুক্তির প্রয়াসের প্রকৃত অর্জন শনাক্তকরণের জন্য, বিগত সাড়ে পাঁচ দশকে সর্বজনীন উন্নয়ন স্বয়ম্ভরতা অর্জনের প্রত্যয় ও প্রতীতির স্বরূপ পর্যালোচনার প্রসঙ্গ আসে। প্রথমেই হচ্ছে, সমন্বিত উদ্যোগের প্রেরণার প্রসঙ্গ। যেমনটি মতবাদ হিসেবে করপোরেট কালচার আধুনিক শিল্প ও বাণিজ্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষ বিবেচনা ও ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। স্থান-কাল-পাত্রের পর্যায় ও অবস্থানভেদে, উন্নয়ন ও উৎপাদনে সবাই একাত্মবোধের মূল্যবোধে উজ্জীবিত করার প্রেরণা হিসেবে বিবেচনার যোগ্য হয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশ্নে দেশবাসীকে ভাববন্ধনে আবদ্ধকরণে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এরপর সমাজ কিংবা সংসারে, এমনকি যেকোনো বিষয়ে সবার সুস্পষ্ট মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকা দরকার। নিজস্ব কর্তব্যপালনে দৃঢ়চিত্ত মনোভাব পোষণ, উদ্দেশ্য অর্জন তথা অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর ঐকান্তিক প্রয়াসে, সমর্পিত চিত্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস যেমন জরুরি মনে করা হয়, তেমনি জাতীয় উন্নয়ন প্রয়াস প্রচেষ্টাংয়ও সমন্বিত উদ্যোগের আবশ্যকতাও অনস্বীকার্য। জাতীয় সঞ্চয় ও বিনিয়োগে প্রয়োজন প্রতিটি নাগরিকের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অবদান। অপচয় অপব্যয় রোধ, লাগসই প্রযুক্তি ও কার্যকর ব্যবস্থা অবলম্বনের দ্বারা সীমিত সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার। তাহলে সবার মধ্যে অভ্যাস, আগ্রহ ও একাগ্রতার সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।

নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা ও উপলব্ধির জাগৃতিতে অনিবার্য হয়ে উঠে যে নিষ্ঠা ও আকাক্সক্ষা, তা অর্জনের জন্য সাধনার প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রয়োজন ত্যাগ স্বীকারের। দায়দায়িত্ব পালন ছাড়া, স্বাধীনতার সুফল ভোগের দাবিদার হওয়া বাতুলতা মাত্র। ‘ফেল কড়ি মাখ তেল’ কথাটি এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য। এই কারণে, উৎপাদনে সক্রিয় অংশগ্রহণ না করে ফসলের ন্যায্য অধিকার প্রত্যাশী হওয়া স্বাভাবিক এবং সঙ্গত কর্ম ও ধর্ম নয়। কোনো কিছু অর্জন করতে বর্জন বা ত্যাগ স্বীকার যেমন জরুরি, তেমনি প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে বাস্তবতা এই বলে যে‘বিনা দুঃখে সুখ লাভ হয় কি মহিতে?’ প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে, সব প্রচেষ্টা সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বিক উদ্দেশ্য অর্জনের অভিপ্রায়কে অয়োময় প্রত্যয় প্রদান, সমাজ উন্নয়নের পূর্বশর্ত। একজন কর্মচারীর পারিতোষিক তার সম্পাদিত কাজের পরিমান বা পারদর্শীতা অনুযায়ী না হয়ে, কিংবা কাজের সফলতা ব্যর্থতার দায় দায়িত্ব বিবেচনায় না এনে যদি দিতে হয়, অর্থাৎ কাজ না করেও সে যদি বেতন পেতে পারে- তাহলে দক্ষতা অর্জনের প্রত্যাশা ও দায়িত্ববোধের বিকাশ-ভাবনা মাঠে মারা যাবে। এ ধরনের ব্যর্থতার বজরা ভারী হতে থাকলে, যেকোনো উৎপাদন ব্যবস্থা কিংবা উন্নয়ন প্রয়াস ভর্তুকির পরাশ্রয়ে যেতে বাধ্য। দারিদ্র্যপীড়িত জনবহুল কোনো দেশের পাবলিক সেক্টর বেকার ও অকর্মণ্যদের জন্য যদি অভয়ারণ্য কিংবা কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিভু হিসেবে কাজ করে, তাহলে সেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বপ্ন আজীবন স্বপ্নই থেকে যাবে। যদি বিপুল জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে পরিণত করা না যায়, উপযুক্ত কর্মক্ষমতা অর্জন ও প্রয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি না হয়, তাহলে উন্নয়ন কর্মসূচিতে বড় বড় বিনিয়োগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে। সরকারি চাকরিকে সোনার হরিণ বানানোর কারণে, চাকরি পাওয়া এবং রাখার জন্য অস্বাভাবিক দেনদরবার চলা স্বাভাবিক। দায়-দায়িত্বহীন চাকরি পাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকার ফলে, নিজ উদ্যোগে স্বনির্ভর হওয়ার আগ্রহতেও অনীহা আসে। মানবসম্পদ অপচয়ের এর চেয়ে বড় নজির আর হতে পারে না।

দরিদ্রতম পরিবেশে যেখানে শ্রেণিনির্বিশেষে সবার কঠোর পরিশ্রম, কৃচ্ছ্রসাধন ও আত্মত্যাগ প্রয়োজন, সেখানে সহজ ও বিনা ক্লেশে কীভাবে অর্থ উপার্জন সম্ভব সেদিকে ঝোঁক বেশি হওয়া সুস্থতার কোনো লক্ষণ নয়। ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রার্থীর পরিচয়ে যে অঢেল অর্থব্যয় চলে, তা যেন এমন এক বিনিয়োগ যা অবৈধভাবে অধিক উসুলের সুযোগ আছে। শোষক আর পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থায় বঞ্চিত নিপীড়িত শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থ উদ্ধারে নিবেদিতচিত্ত হওয়ার বদলে ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃত্ব নিজেরাই যখন উৎপাদনবিমুখ আর শ্রমিক স্বার্থ উদ্ধারের পরিবর্তে, আত্মস্বার্থ উদ্ধারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে শোষণের প্রতিভু বনে যায়, তখন দেখা যায়, যাদের তারা প্রতিনিধিত্ব করছে, তাদেরই প্রথম ও প্রধান প্রতিপক্ষ তারা। প্রচ- স্ববিরোধী এই পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে উৎপাদন, উন্নয়ন তথা শ্রমিক উন্নয়ন সবই বালখিল্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। যেকোনো অজুহাতে অপচয় অপব্যয় তহবিল তছরূপ আত্মসাৎ যেকোনো সবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধারাকে করে দ্বিধান্বিত ও বাধাগ্রস্ত। এসব রোধে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। দেশের অর্থনীতিকে স্বয়ম্ভব করতে হলে, বিয়ের উৎসবে সামাজিকতার দোহাই দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে অর্থ অপচয়ে সংযমী হওয়ার যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। দিনের বেলায়ও রাতের বাতি জ্বালানো, ট্যাপের মুখ খোলা রেখে পানি অপচয়ের মতো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ক্ষতির দিকটি, বিদ্যুৎ আর পানি উৎপাদনে ব্যয়ের পরিমাণ বিবেচনায় এনে বুঝতে হবে। বৃক্ষরোপণে শুধু ‘দিবস’ আর ‘উচ্চমহলের নির্দেশমতে’ পালনের সীমারেখায় না বেঁধে একে সহজাত বোধ, উপলব্ধি ও কর্তব্য জ্ঞানে আনতে হবে। নিজের সচেতনতাকে উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করা প্রয়োজন। সর্বোচ্চ দায়িত্বজ্ঞান বিবেচনা করে ছেলেমেয়েকে পড়াশোনায় সহায়তা করে গৃহশিক্ষকের ওপর নির্ভরশীলতা ও ব্যয় হ্রাস করা যেতে পারে। এ দায়িত্ব পালনের চাইতে অলস অকর্মণ্যতায় কিংবা কোনো কর্মসূচিতে বাড়তি আয়ের পেছনে নিজেকে নিয়োজিত রাখাকে লাভজনক না ভেবে, সালতামামি করে দেখা যেতে পারে কোনো কোনো কর্মকা- সুদূরপ্রসারী সুফল বয়ে আনবে। উপযুক্তরূপে সন্তানকে সমাজে সুশীল ও দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে গড়ে তোলা কোনো অভিভাবক উপেক্ষা করতে পারে না। অফিস, ব্যবসা, সামাজিক অনুষ্ঠানাদিতে যতটা সময় দেওয়ার দরকার, তা দিয়ে নিজের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার তদারকিসহ তাদের মানসিক বিকাশবান্ধব কর্মকান্ড দেখভাল করা বিশেষ বিবেচনায় আনা জরুরি। প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ হওয়ার মধ্যেই সুখী ও সমৃদ্ধশালী সমাজ ও অর্থনীতি পুনর্গঠনের সুযোগ নিহিত। আগেই বলা হয়েছে, মানুষকে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সাধ্যমতো দায়িত্ব পালনের। সংসার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে নিজের অংশ গ্রহণকে অর্থবহ করতে ঐকান্তিক নিষ্ঠা দরকার। সংসারে নানা বাদ-প্রতিবাদে মানুষ বেড়ে ওঠে, তার দায়দায়িত্ব তদানুযায়ী নির্ধারিত হয়। তা যথাযথভাবে পালনে সংসারের গতির চাকা সচল থাকে নির্দিষ্ট নিয়মে। বিদ্যমান ব্যবস্থাপনার সংস্কার কিংবা উন্নয়নকামী যেকোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাস্তবায়ন দৃঢ়চিত্ততার বিষয় হিসেবে অগ্রগণ্য না হলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আন্তরিক প্রয়াস নিশ্চিত হয় না।

সীমাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা ঠুনকো কার্যকরণকে উপলক্ষ করে নেওয়া পদক্ষেপ দীর্ঘস্থায়ী ফল বয়ে আনবে না। শুধু নিজের মেয়াদকালে বাস্তবায়নযোগ্য পদক্ষেপ ও কার্যক্রম গ্রহণ করলে, পরবর্তীজন পূর্ববর্তীজনের কার্যক্রমকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখার রেওয়াজ শুরু হবে। তখন টেকসই উন্নতির সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়তে বাধ্য। জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য দূরদৃষ্টি রূপকল্প প্রণয়নকারীর প্রগাঢ় প্রতিশ্রুতি ও দৃঢ়প্রত্যয় প্রয়োজন। সমস্যা গোচরে এলে ব্যবস্থা নিতে নিতে সব সামর্থ্য ও সীমিত সম্পদ নিঃশেষ হতে দিলে, প্রকৃত উন্নয়নের জন্য পুঁজি ও প্রত্যয়ে ঘাটতি হবেই। তেল আনতে নুন ফুরায় যে সংসারে, সেখানে সমৃদ্ধির স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়। সমস্যারা পরস্পরের মিত্র একটার সঙ্গে আরেকটার নাড়ির যোগাযোগ। আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে ব্যক্তি নিরাপত্তা, ব্যক্তি নিরাপত্তার সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে আয় উপার্জনের সব কার্যক্রমের কার্যকরণগত সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চাই আয় উপার্জনে সুস্থ ও স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা কর্মদক্ষতা, স্বাস্থ্যসেবা কর্মক্ষমতা উৎপাদন ও ব্যবসাবাণিজ্যে প্রসার ঘটবে, এটাই প্রত্যাশা। সর্বত্র সেই পরিবেশের সহায়তা একান্ত অপরিহার্য যেখানে সীমিত সম্পদ ও সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। একটাকে উপেক্ষা মানে, যুগপৎভাবে অন্যান্য অনেক সমস্যাকে ছাড় দেওয়া। সমস্যার উৎসে গিয়ে সমস্যার সমাধানে ব্রতী হতে হবে। এ কাজ কারও একার নয়, এ কাজ সবার। সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজন সমাধানের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমস্যা পরিপোষণের জন্য নয়। যেকোনো সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য জনমত সৃষ্টি, আস্থা আনয়ন ও একাগ্রতা পোষণে গঠনমূলক উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য। সংস্কার বাস্তবায়ন কোনো মতেই সহজসাধ্য নয় বলেই সর্বত্র দৃঢ়চিত্ততা আবশ্যক। এখানে দ্বিধান্বিত হওয়া বা দ্বিমত পোষণ কিংবা প্রথাসিদ্ধবাদী বশংবদ বেনিয়া মুৎসুদ্ধি মানসিকতার সঙ্গে আপস করার সুযোগ থাকতে নেই।বিগত ছয় দশকে এই ভূখ-ে যতগুলো রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্কার কর্মসূচি কিংবা ধ্যানধারণা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কমবেশি তা ব্যর্থতার পেছনে বিরুদ্ধ বাদীদের বিরুদ্ধে দৃঢ়চিত্ত অবস্থান গ্রহণে অপারগতাই মুখ্য কারণ ছিল। কোম্পানি ব্যবস্থাপনার অভীষ্ট লক্ষ্য হিসেবে অনাবশ্যক ব্যয় পরিহার করে, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় সাধনের পদক্ষেপ গ্রহণ করার পর, পুঁজি-ভূমি-শ্রমের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হলে মুনাফা বিবেচিত হয়।

জাপানে শ্রমিক মালিকের সম্পর্ক কোম্পানির প্রাণ। সেখানে শ্রমিক যাতে তার সর্বাধিক মনোযোগ কোম্পানির জন্য দিতে পারে, সেজন্য স্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে সংসারের যাবতীয় দায়দায়িত্ব বহনের ভার। কোম্পানির কাজে সার্বক্ষণিক মনোযোগ দেবে স্বামী। সংসার চালানোর বিষয় নিয়ে অফিস থেকে বাসায় ফোন যাবে না বাসা থেকে কোনো ফোন আসবে না। জাপানে নারীদের চাকরি, ব্যবসা, প্রশাসন, রাজনীতিতে বড় একটা দেখা যায় না। এর কারণ সমাজ তাদের সংসার চালানোর দায়িত্ব দিয়ে পুরুষদের উৎপাদনকর্মে পূর্ণ মনোনিবেশে সহায়তার দায়িত্ব দিয়েছে। স্বামীর বেতনের টাকা মাস শেষে পারিবারিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যায়। স্ত্রী ওই হিসাব অপারেট করেন। সংসারের যাবতীয় খরচাপাতি স্বামীর সম্মতিতে, স্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। স্বামী প্রতি সপ্তাহের শুরুর দিন, সাপ্তাহিক হাত খরচ বাবদ টাকা পেয়ে থাকেন। সেই টাকা দিয়ে পুরো সপ্তাহ চলতে হয়। সুতরাং স্বামীর পক্ষে অপব্যয় কিংবা বাড়তি খরচ করার কোনো সুযোগ সেখানে নেই। পারিবারিক সঞ্চয় এভাবে প্রথাগত ব্যবস্থাদির দ্বারা উৎসাহিত হচ্ছে। জাপানের অধিকাংশ নারী বাইরের কাজে তেমন অবদান রাখছেন না ঠিকই, কিন্তু গৃহে যে দায়িত্ব তারা পালন করেন, তার আর্থিক ও তাৎপর্য মূল্য অনেক বেশি। লাগসই ভাবনা আর টেকসই উন্নতির জন্য এটি একটি ধ্রুপদি প্রয়াস।

লেখক: বিশ্লেষক, উন্নয়ন অর্থনীতি

mazid.muhammad@gmail.com