মাইগ্রেনের যন্ত্রণা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানে। অনেক সময় ছোটখাটো ভুলেও মাইগ্রেন ট্রিগার হয়ে যায়। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা শুরু হলে কষ্টের শেষ থাকে না। সাধারণ মাথাব্যথা থেকে বেশ আলাদা মাইগ্রেনের যন্ত্রণা। এটি মূলত জটিল স্নায়বিক রোগ। ঘুমের অভাব, শরীরে পানিশূন্যতা, স্ট্রেস এমন নানাবিধ বিষয় মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়াতে পারে। সাধারণত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা নিয়ন্ত্রণেই থাকে। অনেক সময় ছোটখাটো ভুলেও মাইগ্রেন বেড়ে যায়। তাই মাইগ্রেনের রোগীদের যে ভুল এড়িয়ে চলা উচিত জেনে নিন।
সময় মতো ওষুধ না খাওয়া : মাইগ্রেনের যন্ত্রণা শুরু হলেই ওষুধ খাওয়া উচিত। ব্যথার তীব্রতা বৃদ্ধির পরে ওষুধ খেলে সেভাবে কোনো উপকার মিলবে না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেলে মাইগ্রেনের তীব্রতা বৃদ্ধির আগেই খেয়ে নিন।
ঘন ঘন পেইনকিলার খাওয়া : মাত্রাতিরিক্ত পেইনকিলার খেলে ক্ষতি হতে পারে। অনেক সময়ে কিডনির ক্ষতি হয়। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাথাব্যথা বেড়ে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেইনকিলার খাওয়া উচিত নয়।
কম ঘুম : মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে ঘুমের সঙ্গে আপস করা চলবে না। ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম দরকার। দিনের পর দিন কম ঘুম হলে মাইগ্রেন হানা দিতে পারে যেকোনো সময়।
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন : সকালে নাশতা না করা, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া ইত্যাদি বিষয় মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ায়। এ ছাড়া পারফিউমের তীব্র গন্ধ, অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইমও মাইগ্রেনকে ট্রিগার করে।