ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে নিষিদ্ধ হওয়া দেশসেরা নারী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত নিজের ভুল স্বীকার করে বিওএর (বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন) কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। গত ১৯ এপ্রিল বিওএ মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানার সঙ্গে দেখা করে তিনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার এই আবেদন জানান।
মাবিয়া জানান, নিজের অজান্তেই ব্যথা নিরাময়কারী ওষুধ সেবন করার ফলে ডোপ টেস্টে তার রেজাল্ট পজিটিভ আসে। তিনি বলেন, ‘না জেনে ওষুধ খেয়ে ফেলায় আজ এই শাস্তির মুখে পড়েছি। তাই আমি মার্সি (ক্ষমা) আবেদন করেছি। সামনে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক আসর রয়েছে, ক্ষমা পেলে আমি আবারও দেশের হয়ে খেলতে পারব।’ এই অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় পারিবারিকভাবেও মানসিকভাবে বেশ বিপর্যস্ত মাবিয়া। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই সব সমস্যার সমাধান হবে।
বিওএ সূত্রে জানা গেছে, মাবিয়ার শাস্তি মওকুফের বিষয়ে বিওএ, ভারোত্তোলন ফেডারেশন ও দেশীয় অ্যান্টি ডোপিং কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। তার আবেদনটি আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী সংস্থার (ওয়াডা) কাছেও পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। উল্লেখ্য, গত বছর সৌদি আরবের রিয়াদে ইসলামিক সলিডারিটি গেমস চলাকালীন মাবিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাতে নিষিদ্ধ ‘ডাইইউরেটিক্স’ পাওয়া যাওয়ায় গত ৯ এপ্রিল তাকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করে সাউথ এশিয়া রিজিওনাল অ্যান্টি ডোপিং অর্গানাইজেশন।