জরুরি সেবায় জ্বালানি তেল রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে

পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে কুমিল্লায় নিহত কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর কথা উল্লেখ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, বাড়ি যাওয়ার পথে তাকে কে বা কারা হত্যা করে ফেলে রেখে দিয়েছে। আমি পুলিশকে কল দিয়েছিলাম, তারা বলেছে, ‘আমাদের তেলসংকট আছে, তাই ডিউটির পরিমাণ কমে গেছে, এত রাত পর্যন্ত থাকার সুযোগ নেই।’ পুলিশের তেল রেশনিং পদ্ধতি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে মনিরুল হক বলেন, না হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সংকট সৃষ্টি হবে। এতে জনগণের নির্বিঘেœ চলায় সমস্যা হয়।

এরপরেই ফ্লোর নিয়ে সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, সংসদ সদস্য যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, সে বিষয়টি এরই মধ্যে আমরা অ্যাড্রেস করেছি। পুলিশসহ ইমার্জেন্সি বাহিনীর যারা আছে, পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার ব্রিগেড, তাদের ওপর থেকে যে এমবার্গো (নিষেধাজ্ঞা) ছিল, তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুদিন আগেই এই সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি, বিষয়টি ক্লিয়ার করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্যা আর হবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ কমিটি

‎দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সুপারিশ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে জাতীয় সংসদ। এই কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন। গত বৃহস্পতিবার বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবে এই কমিটি গঠনের বিষয়ে একমত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেদিনই সরকারি দল ও বিরোধী দল ৫ জন করে ১০ সদস্যের নাম প্রস্তাব করে। গতকাল জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। পরে প্রস্তাবটি সংসদে পাস হয়। কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে। এ ছাড়াও সরকারি দল থেকে রয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মঈনুল ইসলাম খান। বিরোধী দলের সদস্যরা হলেন সাইফুল আলম, নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল বাতেন, আবুল হাসনাত ও মোহাম্মদ আবুল হাসান।