কবিতা

শূন্যক্ষেত্র

বলে কী হবে ভেবে
কত কথা চেপে রেখেছি
ভাষা খুঁজে পাইনি বলে
কতবার চুপ থেকেছি
নিজের ভেতরে হাতড়াতেই দেখি
অন্ত্যমিলের গোঁজামিলে
সরল সত্যগুলো কবর দেওয়া আছে
দিন দিন হাত-পা হয়ে যাচ্ছে
পূর্বনারী-পুরুষদের মতন
বায়ুমণ্ডলে জমা আছে তাদের কথাগুলো
হয়তো নিশ্বাসের শব্দও
প্রতিমুহূর্তে আরেকটা ধ্বংসলীলার শঙ্কায়
ডুবিয়ে রেখেছি পুরো সভ্যতা
খাদ্যের পরতে পরতে মেখে রেখেছি ধোঁকা
পাতায় পাতায় এত বিষ ছড়ানোর পরও
ইট-কাঠের জঙ্গলে মোলায়েম বাতাস ভেসে আসে
কীভাবে আসে এত মায়া এ ধরণীর?
‘কোথা থেকে শুরু হলো সব কিছুর?’
এই একটা প্রশ্নে এসে থামি
‘এও কি সম্ভব?’—এ প্রশ্ন করেই বুঝি
হয়তো বেশি বেশি ভাবছি।