সময়ের সতীর্থরা অনেক আগেই ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন। তবে মামুনুল ইসলাম সেই পথে হাঁটেননি। ক্যারিয়ারের ক্রান্তিলগ্নে ফর্টিস ফুটবল ক্লাবের আঙিনায় ঠাঁই হয়েছিল তার। সেখানেই চারটি মৌসুম কাটানোর সুযোগ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারটাকে দীর্ঘ করতে পেরেছেন। তবে একটা সময় তো বিদায় বলতেই হবে। সেই বলার সময়টা হয়েছে। আজই শেষবারের মতো খেলতে নামবেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। ফর্টিসের হয়ে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় খেলবেন ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ। দুই যুগের পথচলার প্রান্তে পৌঁছে একটু আবেগতাড়িত হয়ে পড়লেন মামুনুল। বৃহস্পতিবার ফর্টিস ক্লাবের আয়োজনে হওয়া সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসজল মামুনুল ফিরে তাকালেন ফেলা আসা অতীতে। যেখানে রেখে এসেছেন অমøমধুর সব স্মৃতি।
‘সাফ জিততে পারিনি, এই আক্ষেপটা আজীবন তাড়া করে বেড়াবে। এছাড়া প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে আইএসএল-এর অ্যাথলেটিকো ডি কলকাতায় নাম লিখিয়ে গেম টাইম না পাওয়াটা বড় অপ্রাপ্তি হয়ে থাকবে। আবার বলতে পারেন, হামজার মতো ফুটবলারের সঙ্গে খেলতে না পারাও একটা আক্ষেপ হয়ে থাকবে। হামজার মতো একজন পেছনে থাকলে মাঠে খেলার আত্মবিশ্বাসই তো বেড়ে যেত অনেক। তখন গোল করা ও করানোর কাজটা আরও সহজ হতো।’ অভিমানও আছে কিছু, ‘বিদায় বেলায় কারও প্রতি কোনো রাগ-ক্ষোভ রাখতে চাই না। তবে আমার মনে হয়েছে ফুটবলাররা যদি দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সময় আরেকটু যতœ পেত, বিশেষ করে চোট পেলে সুচিকিৎসা পেত, তাহলে হয়তো কোনো কষ্ট থাকত না।’ বলেন, ‘আমি মনে করি, হামজা, শামিতরা আসার পর আমাদের শক্তি অনেক বেড়েছে। আমাদের এখনই সময় এসেছে সাফ শিরোপা জয়ের।’