আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য।
শুক্রবার (১ মে) ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপায় মহান মে দিবস উপলক্ষে পৌর শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, এই সংসদে আমরা একটি আইন পাস করেছি। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন ২০২৬। সেই আইনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার একটা সংজ্ঞা আছে। সেখানে ধারা-২, উপধারা ১০-এ বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তাদের এদেশীয় দোসর, আলবদর, আলশামস, রাজাকার, তৎকালীন রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম পার্টি, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যারাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, তারাই মুক্তিযোদ্ধা।
অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না হুঁশিয়ারি দিয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও মাদকবিরোধী অবস্থানে সরকার কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখবে। আসন্ন জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি চেয়ারম্যান পদ লাভের জন্য সহিংসতা বা প্রাণহানির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শৈলকুপাকে একটি আধুনিক ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা কামনা করেন আইনমন্ত্রী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, কৃষকদল নেতা ওসমান আলী বিশ্বাস, বিএনপির সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান খান দিপু, নজরুল জোয়ার্দার, রফিকুল ইসলাম, হাবিব জোয়ার্দার, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবু তালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ঠান্ডু, খলিলুর রহমান, বাবলু মোল্লা, এ টি এম বাবু, নজিবুর রহমান ভোল্টা ও আবুল কালাম।