দৈত্যাকার স্কুইড

নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনের সমুদ্রতট। ৩৩ ফুট লম্বা এক দৈত্যাকার স্কুইড। বিশাল চোখ তার। প্রায় দশ ইঞ্চি ব্যাস হবে স্কুইডটির চোখের। রয়েছে আটটি বিশাল শুঁড়। এই স্কুইডটির মৃতদেহ ভেসে এসেছিল সমুদ্রতটে। ছবিটি শেয়ার হয়েছে প্রায় ৬ হাজার বার। স্কুইডটির ওজন ২০০ কিলোগ্রাম। বিশাল স্কুইডটিকে ফেসবুকের পোস্টে দেখে চমকে উঠেছেন অনেকে। ‘এত বড় স্কুইডও হয় নাকি, এত এক ধরনের দৈত্য!’। সত্যিকার অর্থে, ‘দূষণের ফলে সামুদ্রিক প্রাণীরা আজ বিপন্ন। এর আগেও দৈত্যাকার একটি স্কুইডের দেখা পাওয়া গেছে ২০০৪ সাল নাগাদ জাপানে। এই প্রাণীর ক্ষেত্রে পুরুষের দৈর্ঘ্য স্ত্রী প্রাণীর চেয়ে কম।  এরা সাধারণত গভীর সমুদ্রে বাস করে। সমুদ্রের যেখানে কখনো আলো  পৌঁছায় না, সেখানেও এরা খুব ভালোভাবে শিকার করতে পারে। অমেরুদণ্ডী প্রাণীটির খাদ্য তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, বড় চিংড়ি এমনকি ছোট ছোট স্কুইডও। খাবার গ্রহণের সময় এদের মুখগহ্বর বড় ছাঁকনির মতো কাজ করে। দুঃখজনক যে, জলজ প্রাণ বৈচিত্র্যের এমন প্রাণী হারিয়ে যেতে বসেছে।