প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

দৈনিক দেশ রূপান্তরে রবিবারের সংখ্যায় প্রকাশিত ‘প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বোনাসে হাত’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এসএম নেওয়াজ সোহাগ। তিনি দাবি করেন, গত বছর ইরানের তেহরানে এশিয়ান নারী কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবার পদক জিতেছে বাংলাদেশ। ২০ বছর পর দ্বিতীয়বার পদক জয়ের খবরটি সম্পূর্ণ মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর। তিনি আরও লেখেন, কাবাডি ফেডারেশন সংশ্লিষ্টদের কল্যাণে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। কোনো খেলোয়াড় আহত হলে তাকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না ফেডারেশনের। সেই লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিলে খেলোয়াড়দের বোনাসের একটি নির্দিষ্ট অংশ, রেফারিদের দেশে-বিদেশে ম্যাচ পরিচালনার আয়ের অংশ এবং ফেডারেশনের বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ নিয়মিত জমা দেওয়া হয়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

২০০৫ সালের পর এশিয়ান কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা দ্বিতীয়বার ব্রোঞ্জপদক জেতে ২০২৫ সালে, যা এশিয়ান কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উইকিপিডিয়াতেই স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। অথচ আগের অর্জনকে বাদ দিয়ে নিজের অর্জন বলেই চালিয়ে দিচ্ছেন এসএম নেওয়াজ সোহাগ। তিনি যাকে সাবেক ফুটবলার বলে আখ্যা দিলেন, সেই আবদুল মান্নান আন্তর্জাতিক কাবাডি রেফারি ও ফেডারেশনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ। এ বিষয়ে আবদুল মান্নান জানান, আগের কমিটি বিদায়ের সময় কল্যাণ তহবিলে প্রায় এক কোটি টাকা রেখে গেছে। এ ছাড়া কোটি কোটি টাকার স্থায়ী আমানতও রয়েছে, যেখান থেকেও লভ্যাংশ আসে। তাহলে কেন কল্যাণ তহবিলের জন্য খেলোয়াড়দের বোনাস থেকে অর্থ আদায় করতে হবে? নিয়মানুযায়ী, খেলোয়াড়দের কোনো সমস্যা হলে তা দেখার দায়িত্ব ফেডারেশনেরই। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া খেলোয়াড়দের বোনাস থেকে অর্থ আদায় করাকে ভিন্ন চোখে দেখছেন কাবাডিসংশ্লিষ্টরা। তা ছাড়া ২০২০ সালে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত এতদিন বাস্তবায়ন হয়নি কেন? ২০২৫ সালে এসে বাস্তবায়ন করতে হলো কেন? আর খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে কেন?