গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে এক শিশু এবং ছয়জনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। এ নিয়ে সরকারি হিসাবে গত ৬১ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৪৩৯ শিশুর। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫৫ জনের শরীরে। হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এক হাজার ৩৬৩ জনের। হামজনিত মোট রোগী পাওয়া গেল এক হাজার ৫৫৮ জন।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশজুড়ে হামে প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ১৫ মার্চ থেকে নিয়মিত আপডেট তথ্য দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৫৪ হাজার ৪১৯ জনের শরীরে। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে সাত হাজার ৩০৫ জন।
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৯ হাজার ১৬০ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৬৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাত শিশুর মধ্যে ঢাকা বিভাগের পাঁচজন, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছে। একই সময়ে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৫৮৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে নিশ্চিত হামে রোগী রয়েছে ১৩২ জন।
সরকারি হিসাবে বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত হামে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে ৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ বিভাগে ‘সন্দেহজনক হামে’ মৃত্যু হয়েছে ১৪৭ জনের। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী বিভাগে ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ৩২, ময়মনসিংহে ৩১, বরিশালে ২৯, সিলেট ২৯, খুলনায় ১৯ জন এবং রংপুর বিভাগে চারজনের হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে।