সেই ডাক্তারকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গত ১৫ মে রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের উপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। ডা. নাসিরকে দেখতে রবিবার(১৭ মে) হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।

এ সময় তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসকদের উপর এ ধরনের বর্বর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা দেশের স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং চিকিৎসকদের মাঝে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন চিকিৎসকের উপর শারীরিক হামলা শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক যন্ত্রণারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’ ডা. বিটু দায়িত্বরত চিকিৎসকদের প্রতি ডা. নাসিরের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও যত্ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি ডা. নাসিরের সহধর্মিণী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দ্রুত ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা রক্ষা আইন’ প্রণয়নের জোর দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ডা. বিটু নাসিরের চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আসাদুজ্জামান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

হাসপাতাল সফরকালে ডা. বিটুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক ডা. আশরাফুল আলম, অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ড্যাবের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান নোমান, এসওএসবির সদস্য সচিব ডা. আহমেদ সামি আল হাসান, ডা. মাসুদ রানা, অধ্যাপক ডা. শাদরুল আলম, ডা. রাশেদুল হাসান রিপন, ডা. মাহমুদ আলী বাবু, ডা. মিনার হোসেন, ডা. সামিউর রহমান সামী, ডা. মেহরাব হোসেন, ডা. জামশেদ তুষার, ডা. জাহিদ হাসান, ডা. রুম্মান খান, ডা. মামুন, ডা. হাফিজুর রহমান, ডা. রাজিব হাসান, ডা. হারুন অর রশীদ, ডা. আশীক, ডা. রাহাতসহ আরও অনেকে।