কোলম্যান নয় অন্য কেউ

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী ডাগআউট সামলানোর দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন ওয়েলসের হাইপ্রোফাইল কোচ ক্রিস কোলম্যান। সব ধরনের পারিশ্রমিক জটিলতা দূর হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তের ‘এজেন্ট ফি’ সংক্রান্ত নীতিগত দ্বন্দ্বের কারণে কোলম্যানের সঙ্গে চুক্তি করেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে এ নিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে রাজি নয় বাফুফে। আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই লাল-সবুজের নতুন কোচের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

ইউরো ২০১৬-তে ওয়েলসকে সেমিফাইনালে তোলা ক্রিস কোলম্যানই ছিলেন বাফুফের প্রথম পছন্দ। তার চড়া পারিশ্রমিকের জোগান দিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিল। বাফুফে সভাপতি জানান, গত ১৫ মের মধ্যেই মূলত কোচ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত চুক্তির টেবিলে বাগড়া দেয় কোলম্যানের মধ্যস্থতাকারী এজেন্ট সংস্থা। কোচের বেতনের পাশাপাশি বাফুফের কাছে বড় অঙ্কের ‘এজেন্ট ফি’ দাবি করে বসে তারা।

গতকাল সন্ধ্যায় বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা যখন চুক্তি সম্পন্ন করার একদম শেষ পর্যায়ে, তখন মাঝখানের এজেন্ট বাফুফের কাছ থেকে তাদের ফি দাবি করে বসে। বাফুফে কোনো এজেন্টের বাড়তি ফি দিতে আগ্রহী নয়। কারণ এটি আমাদের নীতিবিরুদ্ধ। অতীতেও আমরা কখনো এমনটি করিনি। পর্যাপ্ত বাজেট থাকার পরও নীতির প্রশ্নে আমরা আপস করিনি। তারা এ শর্তে রাজি না হওয়ায় আলোচনা সেখানেই স্থগিত করা হয়।’

কোলম্যানের নাম বাদ পড়ায় বাফুফের তৈরি করা সংক্ষিপ্ত তালিকার বাকি দুই কোচের দিকে এখন সবার নজর। তারা হলেন জার্মানির বার্নড স্টর্ক ও টমাস ডুলি। তবে বর্তমানে কার সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে কিংবা নতুন কোচ কোন দেশের, কৌশলগত কারণে তা গোপন রেখেছেন ফেডারেশন প্রধান।

আগামী ৫ জুন ইউরোপের দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচ সামনে রেখে আগামী ২৪ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক অনুশীলন ক্যাম্প। জামাল ভূঁইয়া-হামজা চৌধুরীদের নতুন গুরু ক্যাম্পের প্রথম দিন থেকেই ডাগআউটে থাকবেন বলে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়েছেন তাবিথ আউয়াল।