চট্টগ্রামে তিন শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রামে এবার এক দিনের ব্যবধানে তিন শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২২ মে)  ডবলমুরিং ও বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গেছে, ডবলমুরিং থানা এলাকায় ৭ ও ১১ বছরের দুই শিশুকে খালি একটি প্লটে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি লোকজন দেখতে পেয়ে অভিযুক্ত মো. এহসানকে (৫৫) ধরে পিটুনি দেন। পরে পুলিশ আসামিকে আটক করতে গেলে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। লোকজনকে বুঝিয়ে পুলিশ আসামি এহসানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় এহসানকে আসামি করে এক শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ডবলমুরিং থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার এহসান একটি বাসার নিরাপত্তাকর্মী।

অপরদিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় চকলেট দেওয়ার কথা বলে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন প্রতিবেশী মো. হাসান। শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন আছে। বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, "পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় প্রতিবেশী মো. হাসানকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।"

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নগরের বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ মনির হোসেন (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। তাকে থানায় নিয়ে আসার সময় স্থানীয় লোকজন বাধা দেন।

তারা আসামিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ প্রায় সাত ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিল। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পুলিশ।

এ ঘটনায় দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশসহ আহত হয় অন্তত ১২/১৩জন। গ্রেপ্তার মনির আদালত দায় স্বীকার করে  শুক্রবার জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।