ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাত দিনের লম্বা ছুটি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ছুটি উপভোগ করতে এ সময় অনেকেই বেড়ানোর পরিকল্পনা করেন। পর্যটকদের সেই পরিকল্পনা স্বার্থক এবং আনন্দময় করতে সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ করেছেন রাঙ্গামাটির পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাদের ধারণা, টানা ছুটিতে পর্যটকের আগমন বাড়বে।
পাহাড় ও হ্রদঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি বরাবরই পছন্দের তালিকায় থাকে পর্যটকদের। ভ্রমণপিপাসুরা যান্ত্রিক শহরের ক্লান্তি দূর করতে এখানে ছুটে আসেন। জেলার সাজেক ভ্যালি, ঝুলন্ত সেতু, কাপ্তাই হ্রদ, পলওয়েল পার্ক, আরণ্যক ও সুবলং ঝরনাসহ মনোমুগ্ধকর সব পর্যটন স্পটগুলো মুখরিত হয়ে উঠবে পর্যটদের উপস্থিতিতে।
দেশের মানুষের ছুটিতে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য থাকে সাজেক। সাজেকে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রিসোর্ট অ্যান্ড কটেজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন বলেন, ঈদের আগে থেকেই সাজেকের রিসোর্ট, কটেজের বেশিরভাগ রুম বুকিং আছে। ঈদের দিন সব রুম বুকিং রয়েছে। ঈদের পরের দিন থেকে পরবর্তী প্রায় এক সপ্তাহ পর্যন্ত রুম ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বুকিং রয়েছে।
রাঙ্গামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে ঝুলন্ত সেতু। এরই মধ্যে সেতুকে আরও আকর্ষণীয় করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রঙের কাজ সম্পন্ন করেছে। ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যারা কাপ্তাই হ্রদে ভ্রমণ করবেন, তাদের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছেন ট্যুরিস্ট বোট ব্যবসায়ীরা।
রাঙ্গামাটি পর্যটন নৌযান ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, পর্যটক বরণে আমাদের সব প্রস্তুতি শেষ। বোটগুলো সংস্কার, রঙ করাসহ সব কাজ শেষ। আমরা এখন পর্যটকের জন্য অপেক্ষা করছি।