চিত্রনায়ক কায়েস আরজু। ‘তুমি আছো হৃদয়ে’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক। এরপর একে একে উপহার দিয়েছেন বেশকিছু চলচ্চিত্র। এবার শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের সদস্য পদে প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। বিস্তারিত নিয়ে কথা বলেছেন তিনি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে এবার আপনি নিজেই প্রার্থী হচ্ছেন। হঠাৎ এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল ভাবনা কী?
দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গে আছি, অভিনয় করছি। ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি’র একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে এতকাল বিগত নির্বাচনগুলোতে নিজের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে এসেছি। তবে এবার শুধু ভোট দেওয়া নয়, সরাসরি শিল্পীদের জন্য দায়িত্ব নিয়ে কিছু করার সময় এসেছে। সেই তাড়না থেকেই এবার নির্বাচনে শিবা শানু এবং জয় চৌধুরী প্যানেল থেকে কার্যকরী সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
সাধারণ ভোটার বা সহশিল্পীদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
আমি অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। সত্যি বলতে, চলচ্চিত্র অঙ্গনের শিল্পীরা আমাকে ভীষণ ভালোবাসেন, এটা আমি বিগত দিনগুলোতে খুব গভীরভাবে অনুভব করেছি। একজন প্রার্থী হিসেবে এরই মধ্যে আমি আমার মতো করে যোগাযোগ ও কাজ শুরু করেছি। আপাতত কার্যকরী সদস্য হিসেবে জয়লাভের মধ্য দিয়েই না হয় শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করার এই নতুন যাত্রাটা শুরু হোক।
নির্বাচিত হলে শিল্পী সমিতি এবং সাধারণ সদস্যদের কল্যাণে আপনার মূল ভূমিকা কী হবে?
শিল্পী সমিতির একটা গৌরবময় ঐতিহ্য আছে। আমি নির্বাচিত হলে সেই ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিরলসভাবে শ্রম দিতে প্রস্তুত। নিজের অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব সাধারণ শিল্পীদের পাশে দাঁড়াব।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পথচলা আপনার দৃষ্টিতে কেমন ছিল?
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি চেষ্টা করেছি দর্শকদের ভালো ভালো গল্পের সিনেমা উপহার দিতে। প্রথম সিনেমা ‘তুমি আছো হৃদয়ে’ দিয়েই দর্শকদের যে বিপুল ভালোবাসা আমি পেয়েছিলাম, সেই ভালোবাসা আর অনুপ্রেরণা বুকে নিয়েই আজও চলচ্চিত্রের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। এরপর ‘বাজাও বিয়ের বাজনা’, ‘প্রেম বিষাদ’, ‘মন তোর জন্য পাগল’, ‘হেডমাস্টার’, ‘ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’, ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’, ‘এই তুমি সেই তুমি’ কিংবা ‘অপুর বসন্ত’ প্রতিটি সিনেমাতেই দর্শক অন্য এক আরজুকে পেয়েছে। বেশ কিছু চলচ্চিত্র দারুণ দর্শকপ্রিয়তাও পেয়েছে।
চলচ্চিত্র নিয়ে আপনার বর্তমান ব্যস্ততা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কেমন?
চলচ্চিত্রই আমার ধ্যান-জ্ঞান। শিগগির দর্শক ভালো গল্পের সিনেমা পেতে যাচ্ছেন। যার প্রস্তুতি এখন চলছে। অভিনয় জীবনের পাশাপাশি সংগঠনের মাধ্যমেও ইন্ডাস্ট্রির সেবা করে যেতে চাই।