শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব

পতনের পরেই এক কার্যদিবস পর দেশের শেয়ারবাজার আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে। শেয়ারবাজারের এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে বীমা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। অধিকাংশ বীমা কোম্পানির দাম বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে অন্যান্য খাতেও। ফলে বেড়েছে সার্বিক মূল্যসূচক ও লেনদেন।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বেড়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। ফলে দুই বাজারেই মূল্যসূচক বেড়েছে। সেইসঙ্গে ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে শেষ ১১ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেল।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় ছিল ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১০০টির এবং ৫১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে বীমা খাতের ৫১টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৫টির দাম কমেছে এবং দুটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১১১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১০ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৮০ পয়েন্টে উঠে এসেছে।

ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।