যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ৫০ শহরে ‘রইদ’

‘হাওয়া’র সাফল্যের পর কিছুটা দীর্ঘবিরতি নিয়েছিলেন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। তবে তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘রইদ’ দিয়ে তিনি যে আবারও দর্শকদের মন জয় করেছেন, তা দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোর ভিড়ই প্রমাণ করে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে এবার উত্তর আমেরিকার দর্শকদের মাতাতে যাচ্ছে ছবিটি। চলতি জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রায় ৫০টি শহরে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে ‘রইদ’। আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান ‘বায়োস্কোপ ফিল্মস’। এটি তাদের ৫৫তম পরিবেশনা। বড় ক্যানভাসের এই আয়োজন নিয়ে বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ দারুণ আশাবাদী। তিনি জানান, দীর্ঘ প্রচেষ্টায় প্রবাসে বাংলা সিনেমার যে দর্শক তৈরি হয়েছে, তাদের কাছে ‘রইদ’ পৌঁছে দিতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সঙ্গে ছবিটিকে অস্কারের কোয়ালিফাইং রাউন্ডে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ক্রাইটেরিয়া পূরণের কাজও চলছে। সুমনের কাব্যিক নির্মাণের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিভিন্ন শহরের প্রবাসীরা ইতিমধ্যেই ছবিটি দেখার জন্য অধীর আগ্রহে খোঁজখবর নিচ্ছেন। নিজের সৃষ্টি নিয়ে বরাবরের মতোই বিনয়ী মেজবাউর রহমান সুমন। প্রবাসে মুক্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘রইদ’ মূলত অত্যন্ত সাধারণ একটি প্রেমের গল্প। দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুভূতিই তার বড় প্রাপ্তি। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেত্রী নাজিফা তুষি বলেন, এই ছবিটির জন্য তার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অপেক্ষা বড় পর্দায় ফুটে উঠেছে। দেশের পর এবার আমেরিকা ও কানাডার দর্শকরাও মুগ্ধ হবেন বলে তার বিশ্বাস। বঙ্গ বিডি ও ফেসকার্ড প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রের ডিজিটাল কনসালট্যান্ট কোলাহল কমিউনিকেশন।