গজারিয়ায় মাদক কারবারিকে থানায় নিতে স্বজনদের বাধা

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুরান বাউশিয়া গ্রামে সিএনজি চুরি মামলার আসামি ধরতে গিয়ে মাদক কারবারি ও তাদের স্বজনদের তোপের মুখে পড়েছে পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আটককৃতদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় রাসেল নামে আরেক মাদক কারবারি পালিয়ে যায়।

​শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের পুরান বাউশিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ​আটককৃতরা হলো কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে মাইন উদ্দিন (৪০) ও একই গ্রামের ইসলামের ছেলে ইমরান (৩৮)।

​স্থানীয়রা জানায়, আটক মাইন উদ্দিন ও ইমরান মেঘনা উপজেলার লুটেরচর গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি মেঘনা উপজেলায় একটি মাদক মামলায় আটক হওয়ার পর থেকে তারা দুজনে মাইন উদ্দিনের শ্বশুরবাড়ি গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া গ্রামে বসবাস শুরু করে। সেখানে অবস্থান করে তারা কৌশলে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল।

​খবর নিয়ে জানা যায়, গজারিয়া থানায় দায়েরকৃত একটি সিএনজি চুরি মামলার আসামি মাইন উদ্দিনকে ধরতে পুরান বাউশিয়া গ্রামে যায় গজারিয়া থানার এসআই ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মাইন উদ্দিন ও ইমরান গাঁজা সেবন করছে। পুলিশ তাদের গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করে থানায় নিয়ে আসতে চাইলে বাধা দেয় মাদক কারবারির স্বজনরা। এ সময় তারা পুলিশের ওপর চড়াও হলে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠিন অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। একজন মাদক কারবারি, যে চুরির মামলারও আসামি তাকে আটক করে থানায় আনার সময় পরিবারের সদস্যরা বাধা দেয়। পরবর্তীতে আমরা অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে তাকে থানায় নিয়ে এসেছি। গজারিয়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। আটককৃত কারবারিদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।