মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীকে গলায় উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মো. লোকমান হোসেন পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ মো. লোকমান হোসেন দুপুরে শিক্ষার্থী মাজেদ আহমেদকে (১৪) উপজেলার পশ্চিম সোনারং এলাকায় জনৈক বারেক মিয়ার বাড়ির পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করে। এ সময় শিক্ষার্থী আপত্তি জানালে মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ মো. লোকমান হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীর গলায় ও হাতে উপর্যুপরি আঘাত করে। এতে শিক্ষার্থীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত মাদরাসার শিক্ষক তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মাদরাসা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাফেজ মো. লোকমান হোসেন ভোলা জেলার চর-ফ্যাশন এলাকার ইসলাম আলীর ছেলে। সে টঙ্গীবাড়ি সোনারং পুরাতন জামে মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি টঙ্গীবাড়ি খিলপাড়া সুন্নাতুল মদিনা মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন