ফুটবল বিশ্বকাপে হাজির হয়েছেন শ্রোতাপ্রিয় পপ সংগীতশিল্পী খন্দকার বাপ্পি। ফুটবল উৎসবের আবহে তিনি প্রকাশ করেছেন তার নতুন গান ‘ফুটবলের জয়গান’।
গানটির কথা লিখেছেন খন্দকার বাপ্পি নিজেই এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন বাপন। গানটির নির্মাণে যুক্ত ছিল ‘দেশী টায়রো টিম’।
এই গানের মূল বিশেষত্ব হলো এর চমৎকার বাণী ও সুরের বিন্যাস। গানের কথায় যেমন ফুটে উঠেছে বাঙালির চিরচেনা ফুটবল প্রেম, দেশপ্রেম ও গভীর উদ্দীপনা, ঠিক তেমনি ফুটবলের বৈশ্বিক শক্তির মাধ্যমে বিশ্বশান্তি এবং পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষকে এক কাতারে নিয়ে আসার এক পজিটিভ বার্তাও দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনার মূল কেন্দ্রবিন্দু আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের আনন্দ-উল্লাস এবং চিরকালীন মাতামাতির বিষয়টিও গানে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে।
গানটির মিউজিক ভিডিওতেও রাখা হয়েছে বৈচিত্র্য ও চমকের ছোঁয়া। ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে একদিকে যেমন বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মানুষের মধ্যে ফুটবল উৎসবের চিরচেনা রঙিন আমেজ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, অন্যদিকে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের জমকালো আবহও দৃশ্যায়িত হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের মানুষের ফুটবল নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ গানটির ভিজ্যুয়ালকে আন্তর্জাতিক রূপ দিয়েছে।
নতুন এই সৃষ্টি নিয়ে সংগীত পরিচালক বাপন বলেন, ‘সংগীত নির্মাণের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম গ্যালারির ফুটবল উন্মাদনা, লাতিন সাম্বার তালে নাচ-গান এবং আমাদের দেশীয় মিউজিকের একটি চমৎকার সমন্বয় করার বিষয়টি মাথায় রেখেছিলাম। এই সব উপাদানগুলোকে একসঙ্গে মিলিয়ে একটি দারুণ প্রাণবন্ত মিউজিক কম্পোজিশন তৈরির সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’
দীর্ঘদিন পর এমন একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে উচ্ছ্বসিত সংগীতশিল্পী ও ভিডিও নির্মাতা খন্দকার বাপ্পি। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর এমন একটি গান গেয়েছি যা সত্যিকার অর্থে আমার জীবনের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচনা করছি। গানটিতে যে উৎসবের আবহ ও আনন্দের প্রকাশ ঘটেছে, তা শুনলে যেকোনো শ্রোতার মন ফুটবল আমেজে পুলকিত হয়ে উঠবে বলেই আমার বিশ্বাস।’
নতুন এই ফুটবল অ্যান্থেমটি ‘দেশী’র অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলসহ দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে একযোগে প্রচারিত হবে।