চুক্তিতে ছাড়ের দাবি ট্রাম্পের, মানছে না ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে আসছে, চলমান আলোচনায় ইরান একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। তবে তেহরান এসব দাবিকে ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ভবিষ্যতে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এতে ‘পারমাণবিক স্বচ্ছতা’ নিশ্চিত হবে এবং এ বিষয়ে সম্মতি না থাকলে আর কোনো আলোচনা চলত না।

এর আগে সোমবার সুইজারল্যান্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও দাবি করেন, ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে, যা তিনি ‘বড় অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এসব দাবি নাকচ করে বলেন, আইএইএর সঙ্গে সহযোগিতা আগের নিয়মেই চলবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের জন্য নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন আরও দাবি করছে, সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় ইরানের অবমুক্ত হওয়া বিপুল অর্থ মার্কিন কৃষিপণ্য কেনায় ব্যয় করা হবে। ভ্যান্স জানান, আলোচক জ্যারেড কুশনারের প্রস্তাব অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের অনুমোদনের মাধ্যমে ওই অর্থ দিয়ে মার্কিন সয়াবিন, ভুট্টা ও গম কেনা হবে।

তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, অবমুক্ত অর্থ ইরান সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন বা সন্ত্রাসে অর্থায়নের কাজে ব্যবহার করতে পারে।