৫ গোলে রোনালদোর পাশে ভিনিসিয়ুস, ৪ বিশ্বকাপ নিয়ে পেলের পাশে নেইমার

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে ব্রাজিলের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রাতে ভিনিসিয়ুস ও নেইমারের রেকর্ডবুক ওলটপালট করা ২০২৬ বিশ্বকাপের একগুচ্ছ অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান নিচে দেওয়া হলো।

৭/১৩

কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের হয়ে ১৩ ম্যাচে ৭টি গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (অন্য সব কোচের অধীনে ৩৯ ম্যাচে ছিল ৬টি গোল)।

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতে গোল করা পঞ্চম ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র; তিনি জাইরজিনহো (১৯৭)০, রোমারিও (১৯৯৪), রোনালদো এবং রিভালদো (উভয়ই ২০০২)-এর পাশে যোগ দিলেন।

ব্রাজিল সেই সমস্ত বছরগুলোতে বিশ্বকাপ জিতেছিল।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথমবার হেড থেকে গোল করলেন।

২০২৩ সালের অক্টোবরের পর ব্রাজিলের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচ খেললেন নেইমার। তিনি চারটি ভিন্ন ভিন্ন ফিফা বিশ্বকাপে খেলা চতুর্থ ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হলেন; তিনি দালমা সান্তোস, কাফু এবং পেলের পাশে যোগ দিলেন।

২/২

২০১৮ সালে ফিলিপে কুটিনহোর পর ম্যাথিউস কুনহা প্রথম ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে নিজের প্রথম দুটি বিশ্বকাপ ম্যাচে স্টার্ট করে (শুরুর একাদশে থেকে) গোল করার কীর্তি গড়লেন।

২০১০ সালে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে কাকার (২) পর ব্রুনো গিমারায়েস প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে বিশ্বকাপের একটি একক ম্যাচে একাধিক অ্যাসিস্ট করার রেকর্ড গড়লেন।

১৬

১৬ বছর আগে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে ফাবিও ক্যাপেলোর পর কার্লো আনচেলত্তি প্রথম ইতালিয়ান ম্যানেজার যিনি ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছাতে পারলেন।

১৫

১৯৮২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের প্রতিটি প্রথম রাউন্ডেই (গ্রুপ পর্বে) নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে থেকে শেষ করেছে ব্রাজিল। তারা টানা ১৫টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রসর হয়েছে, সর্বশেষ তারা ১৯৬৬ সালে পরবর্তী রাউন্ডে যেতে ব্যর্থ হয়েছিল।

৩-০

১৯৮৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানের জয়ের পর, ফিফা বিশ্বকাপে উয়েফা  ভুক্ত কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এটিই ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ক্লিন-শিট (কোনো গোল না খেয়ে) জয়।

একবিংশ শতাব্দীতে এটি ছিল অন্তত তিন গোলের ব্যবধানে ব্রাজিলের নবম বিশ্বকাপ ম্যাচ জয় (যেকোনো জাতীয় দলের চেয়ে সর্বোচ্চ)।