শরীয়তপুরে দশ সরকারি দপ্তরের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া এক কোটি ৩৬ লাখ

শরীয়তপুর পৌরসভাসহ শরীয়তপুর শহরের দশটি সরকারি দপ্তরে এক কোটি ৩৬ লাখ ১৫ হাজার ৬১৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বিল পরিশোধে মাথাব্যথাও নেই সরকারি এ দশ প্রতিষ্ঠানের। দপ্তরগুলোতে চিঠি দিয়েও সমাধান পাচ্ছে না শরীয়তপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ ওজোপাডিকো কর্তৃপক্ষ। 

শরীয়তপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ 'ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড' (ওজোপাডিকো) সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভায় বকেয়া এক কোটি ১০ লাখ ৩২ হাজার ১৭৫ টাকা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার (স্টেডিয়াম) বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে ৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৩৩ টাকা, আর ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাক্সেস দুই লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দুই লাখ ৮৮ হাজার ১৬৫ টাকা, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস এক লাখ ৪০ হাজার ৩৭০ টাকা, জেলা মডেল মসজিদ তিন লাখ ২১ হাজার ২২৩ টাকা, শরীয়তপুর পার্ক দুই লাখ ৫৮ হাজার ৮৩২ টাকা, পানি উন্নয়ন বোর্ড দুই লাখ ৪৪ হাজার ৪৮ টাকা, গণপূর্ত বিভাগ এক লাখ ৫৫ হাজার ৭২৩ টাকা ও সহকারী কমিশনের (ভূমি) কার্যালয়ে ৭২ হাজার ২৪৭ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে রয়েছে। তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের বিষয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।  

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য  ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সমীর বাইন বলেন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে অর্থ পেলে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সকলকে নিয়ে মিটিংয়ের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হবে। 

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর শংকর বিশ্বাস বলেন, বকেয়া বিলের ব্যাপারে সরকারি চাহিদা বাজেট দেওয়া হয়েছে। অর্থ পেলে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হবে। 

শরীয়তপুর পৌরসভা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার অফিসের উপ-পরিচালক মো. ওয়াহিদ হোসেন জানান, এগুলো দীর্ঘদিনের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল। ইতোমধ্যে বকেয়া থাকা বিল থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মতো পরিশোধ করা হয়েছে। শিগগিরই বকেয়া বিল ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হবে।

শরীয়তপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান জানান, শরীয়তপুর পৌরসভায় এক কোটি ১০ লাখ ৩২ হাজার ১৭৫ টাকা বকেয়া বিল পরে আছে। পৌরসভাসহ দশ প্রতিষ্ঠানকেই একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে বকেয়া বিলের জন্য। তবে পেছনের বকেয়া থেকে কিছু টাকা পৌরসভা ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছে।