আর্জেন্টিনার রিপোর্ট কার্ড

লিসান্দ্রো মার্টিনেজ (রেটিং: ৯/১০)

প্রথমার্ধে লিসান্দ্রোর রক্ষণভাগ থেকে বাড়ানো নিখুঁত লং পাস থেকেই মেসি প্রথম গোলটি পান। প্রতিপক্ষের প্রথম গোলের সময় বল তার পায়ের নিচ দিয়ে চলে গেলেও অতিরিক্ত সময়ে নিজেই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে ছিলেন অনন্য

ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো (রেটিং: ৮/১০)

মাঠে আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করেছিলেন। কেপ ভার্দের গতিশীল আক্রমণভাগের প্রতিটি কাউন্টার অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে ট্যাকল ও ইন্টারসেপ্ট করেছেন। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি ১০৫ মিনিটে তার মাথা থেকেই আসে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলটি

লিওনেল মেসি (রেটিং: ৮/১০)

ম্যাচ যখন থমকে ছিল, তখনই তার জাদুকরী ছোঁয়া মেলে। প্রথমার্ধে চমৎকার নিয়ন্ত্রণে প্রথম গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে লাউতারোর পাস থেকে একটি ও দুটি ফ্রি-কিক কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা না ঠেকালে গোলসংখ্যা আরও বাড়ত

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (রেটিং : ৮/১০)

ম্যাচে খুব বেশি শট আসেনি, যা এসেছে তাতেই দুটি গোল হজম করতে হয়েছে। তবে অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে সিডনি ক্যাব্রালের একটি নিশ্চিত গোল যেভাবে শরীর ভাসিয়ে সেভ করেছেন, তাতেই তিনি আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক বনে যান

মিডফিল্ড ত্রয়ী (এনজো, অ্যালেক্সিস, ডি পল রেটিং: ৪/১০)

এনজো প্রথমার্ধে ভালো খেললেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছন্দ হারান। ডি পল শুরুতে ভালো পাসের জোগান দিলেও দ্বিতীয়ার্ধে মাঠেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। ম্যাক অ্যালিস্টার ৫ নম্বর পজিশনে খেললেও ম্যাচে কোনো প্রভাবই ফেলতে পারেননি

লাউতারো মার্তিনেজ (রেটিং: ৪.৫/১০)

কেপ ভার্দের জমাট ডিফেন্সের সামনে বল পেতে তাকে বারবার নিচে নেমে আসতে হয়েছে। বক্সের ভেতর একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। মেসির উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি পাস ছাড়া ম্যাচে তার অবদান নগণ্য। বদলি আলভারেজ (রেটিং: ৫)

নাহুয়েল মোলিনা (রেটিং: ৪/১০)

ডানপ্রান্ত দিয়ে বারবার আক্রমণে উঠলেও তার পাস ও ক্রসে ছিল চরম ভুল। মেসির একটি চমৎকার পাস তিনি রিসিভ করতে না পারায় নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট হয়। অতিরিক্ত সময়ে তাকে তুলে মন্তিয়েলকে নামানো হয়

থিয়াগো আলমাদা (রেটিং: ৪/১০)

বামপ্রান্তে উইঙ্গার বা থার্ড ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙার মতো কোনো ড্রিবলিং বা সৃজনশীলতা দেখাতে পারেননি। ৬৪ মিনিটে তার জায়গায় নিকো

গঞ্জালেসকে নামানো হয়

ইনজুরি ও ডিফেন্সের দুর্বলতা

ফাকুন্দো মেদিনা (রেটিং: ৫/১০): রক্ষণে চলনসই হলেও আক্রমণে তার ক্রসগুলো সতীর্থদের খুঁজে পায়নি। প্রতিপক্ষের প্রথম গোলটি তার রক্ষণভাগ থেকেই শুরু হয়। চোটের কারণে ৮৬ মিনিটে মাঠ ছাড়েন। বদলি তাগলিয়াফিকো (রেটিং: ৫.৫)

কাঠগড়ায় কোচ স্কালোনি (রেটিং: ৫/১০)

প্রথমার্ধে দল এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খেলোয়াড়রা যখন গা-ছাড়া ভাব দেখায়, তখন স্কালোনির কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। সিদ্ধান্ত নিতে এবং খেলোয়াড় বদল করতে বড্ড দেরি করে ফেলেছেন