যশোরের মণিরামপুরে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামির বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ এবং অন্য দুই আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খর্দগাংড়া গ্রামের নওশের আলীর ছেলে সমির মোড়ল এবং তার সহযোগী সেলিমের বাড়ি ও দোকানঘরে রোববার বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ভাঙচুর চালায়। ধর্ষণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত শনিবার ভোরে পৌরশহরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ও তার সহপাঠী রাফিদকে জোড়া পুকুর এলাকায় গতিরোধ করা হয়। এ সময় খর্দগাংড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু জাফর, জয়নগর গ্রামের করিম হোসেন খোকনের ছেলে সমির মোড়ল এবং সেলিম তাদের পথরোধ করেন। অভিযোগ রয়েছে, রাফিদকে মারধর করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার পর আবু জাফর সমির ও সেলিমের সহযোগিতায় ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে ওই দিনই তার ভাই রাহুল বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মণিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ জানান, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং পলাতক অপর দুই আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।