ওয়ানডেতে ফিরেই ভিন্ন রূপ বাংলাদেশের

পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ৫ বছর পর জিম্বাবুয়ে সফরে গেছে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর এবার ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নেমেছে সফরকারীরা। নিজেদের প্রিয় এই সংস্করণে ভিন্ন রূপ দেখাচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজরা। মাত্র ১৪১ রানে গুটিয়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়েকে।

৩ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর শুরু হয় পেসারদের দাপট। শুরুটা করেন তাসকিন আহমেদ। পরে পেস আগুনে স্বাগতিক ব্যাটিং বিভাগ ধ্বসিয়ে দেন নাহিদ রানা। এই ডানহাতি গতি তারকা ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে প্রথমবারের মতো ২১ রানে ৬ উইকেট নেন। এটা ওয়ানডেতে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা (৬/২৬)।

এই সংস্করণে এ নিয়ে ৩ বার ফাইফারের স্বাদ পেলেন নাহিদ।।

যদিও আজ উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারেন যোগ করেন ৩৬ রান। এই জুটি অবশ্য ভাঙতে পারত দলীয় ১৪ রানেই। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তাসকিনের বলে বেনেটের সহজ ক্যাচ ছাড়েন রিশাদ হোসেন। সুযোগ পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি জিম্বাবুয়ের ব্যাটার। ব্যক্তিগত ১৭ রান করে তাসকিনেরই শিকারে পরিণত হন তিনি। এর ঠিক ২ বল আগে রান আউট হন কারেন (১৮)।

ইনিংসের সপ্তম ওভারে ২ ওপেনার আউট হওয়ার পর ধস নামে স্বাগতিক ব্যাটিং বিভাগে। অভিজ্ঞ ক্রেইগ আরভিনকে রানের খাতা খুলতে দেননি তাসকিন। এরপর দৃশ্যপটে নাহিদ। একে একে ফেরান সিকান্দার রাজা (১), ওয়েসলি মাধেভেরে (০), ক্লাইভ মাডান্ডে (২), ইনোসেন্ট কাইয়া (২৬) ও ব্র্যাড ইভান্সকে (৩)। এদের মধ্যে প্রথম ৪ ব্যাটারকে ক্যাচ ও শেষের জনকে এলবিডাব্লিউ করে আউট করে নাহিদ।

৭০ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে প্রতিরোধ গড়ে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভার সঙ্গে ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন নিউম্যান ন্যামহুরি। ২১ রানে থাকা এনগারভাকে বোল্ড করে এই জুটিও ভাঙেন নাহিদ। শেষ ব্যাটার হিসেবে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন ন্যামহুরি।

স্কোর - জিম্বাবুয়ে : ১৪১ অলআউট, ওভার: ৩৬.৪ (ন্যামহুরি ৩৩, এনগারভা ২৭, কাইয়া ২৬; নাহিদ ৬/২১, তাসকিন, ২/৩২, মিরাজ ১/২২)