কিশোরগঞ্জ জেলা ভৈরব বাজার এর বাঁশমহল এলাকার মেঘনা নদীর তলদেশে মাটি সরে যাওয়ায়, টিনপট্টির বাঁশমহল, কাঠবাজার হুমকির মুখে পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত এই অংশটুকু যে কোন সময় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন, কিশোরগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন।
তিনি আরো জানান, ২০১২ সালের পর নদীর পাদদেশে, ব্লগ লাগানোর পর এ পর্যন্ত আর কোন সংস্কার করা হয়নি, তাই জরুরী ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ১০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে প্রাথমিক প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে মাত্র, তবে এটা কোন স্থায়ী সমাধান নয়।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে ভৈরব কুলিয়ারচরের সংসদ সদস্য, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, মেঘনা নদীতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ পানিতে ফেলে এ কাজে উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, এটা কোন স্থায়ী সমাধান নয়। ভৈরব একটি নৌ বাণিজ্যিক বন্দর এলাকা। এই বন্দরকে রক্ষা করতে স্থায়ী বাধের প্রয়োজন ও পাশাপাশি এলাকার জনগণ সহ রক্ষার বাধ দাবি করে আসছিল দীর্ঘদিন যাবত। তাছাড়া আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল নির্বাচিত হলে আমি অবশ্যই সহ রক্ষার বাঁধের চেষ্টা করব। আপনারা জানেন এই ধরনের শহর রক্ষা বাধের বিশাল টাকার প্রয়োজন হয় তাই এই ধরনের প্রকল্পের সিদ্ধান্ত আসে মন্ত্রীপরিষদ থেকে। বিষয়টি আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন। শহর রক্ষা বাঁধের কাজের অনুমোদন প্রক্রিয়াটি শেষ করতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে আমি আশা বাদী অচিরেই ভৈরব শহর রক্ষা বাঁধের অনুমোদন প্রক্রিয়াটি শেষ করে বাঁধের কাজ শেষ করতে পারব।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কেএম মামুনুর রশিদ, ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ভিপি মজিবুর, পানি উন্নয়ন বোর্ড কিশোরগঞ্জ জেলার, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, মোহান্মদ আতিকুল গনি, উপজেলা বিএনপির, জিল্লুর রহমান, মারুকী শাহীন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, পরে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী একটি নৌকা চড়ে ডাম্পিং স্থানে গিয়ে জিও ব্যাগ ফেলে এই কাজের উদ্বোধন করেন।।