বৃহস্পতিবারের ফলের অনেকেই অকৃতকার্য

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। বাকিরা সাধারণ বৃত্তি। গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে ফল ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী প্রমুখ।

এদিকে গতকাল প্রকাশিত ফলে এর আগে (বৃহস্পতিবার) প্রকাশিত ফলের বৃত্তি পাওয়া অনেককে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মা হতাশা কণ্ঠে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ফলাফল ঘোষণা হয়েছে শুনে দেখতে পাই, আমার মেয়ে সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। মেয়ে খুব খুশি হয়েছিল। আমরাও আনন্দিত ছিলাম। কিন্তু পরে শুনতে পাই স্থগিত করা হয়েছে। আজকের (গতকাল) ফলাফলে মেয়েকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। পরীক্ষার ফল নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কেন এমন হলো?’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে গতকাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কোন কোন জেলায় এরকম হয়েছে বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের (২০২৫ সালের) প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি।