আধিপত্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ

টি-টোয়েন্টিতেও দুই দলের বিস্তর ফারাক। শক্তিমত্তা বা বর্তমান অবস্থানে ঢের এগিয়ে বাংলাদেশ। আইসিসির সর্বশেষ প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে যেখানে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের অবস্থান ৮ নম্বরে, সেখানে জিম্বাবুয়ে আছে ১২ নম্বরে। তবে এবারের সফরে এসব খাতা-কলমের হিসাব মিলছে না। একমাত্র টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। অথচ সম্প্রতি এই দুই সংস্করণে ধারাবাহিক সাফল্য নিয়েই ৫ বছর পর সে দেশে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে গেছে বাংলাদেশ দল। ইতিমধ্যে দুটি সিরিজ হাতছাড়া হয়েছে তাওহিদ হৃদয়দের। এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজের ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরতে চান। এ জন্য আজ বুলাওয়েতে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবেন তারা।

এ সংস্করণে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস খেলছেন না। তার পরিবর্তে নেতৃত্ব দেবেন তাওহিদ হৃদয়। গতকাল সিরিজপূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে জয়ের পাশাপাশি ভালো ক্রিকেট খেলার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি তার কণ্ঠে, ‘অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য দলকে জেতানো। আমি আমার দিক থেকে যতটুকু সম্ভব দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। এটা অবশ্যই গর্বের বিষয় যে, দলকে সেবা করতে পারছি। যদিও দিনশেষে ফলটাই সবচেয়ে জরুরি। তবে আমরা চাই ভালো খেলে জয়ী হতে।’

দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যানে স্পষ্ট এগিয়ে বাংলাদেশ। শেষ চার সিরিজের তিনটি জিতেছে দলটি। সর্বশেষ সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৪-১ ব্যবধানে হারান তাওহিদরা। এখন পর্যন্ত দুই দলের ২৫ বারের লড়াইয়ে ১৭টি জিতেছে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের জয় ৮টি। কিন্তু এবার পরিসংখ্যানকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন স্বাগতিকরা।

এ জন্য জিম্বাবুয়েকে সম্মান করলেও নিজেদের সামর্থ্যরে ওপর আস্থা রাখছেন তাওহিদ, ‘জিম্বাবুয়ে অবশ্যই ভালো দল। এখানে ছোটখাটো চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু আমরা আমাদের শক্তির জায়গাগুলো জানি। আশা করি, আমরা সেই ভুলগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারব। আমাদের একটি শক্তিশালী দল আছে এবং গত কয়েকটি সিরিজে আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছি। যদি আমরা এ ছন্দ ধরে রাখতে পারি, তবে আমরা কাক্সিক্ষত ফল পাব।’ তবে চাপে থাকার কথাও অস্বীকার করেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘টি-টোয়েন্টিতে সব জায়গাতেই চাপ থাকে। একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সেই চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। তবে যেমনটি আমি আগেই বলেছি, এটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এবং আশা করি, নির্দিষ্ট দিনে যদি আমরা ভালো ক্রিকেট খেলি, তবে ভালো ফল আসবে।’