প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৬ দফা প্রস্তাবনা রিহ্যাবের

দেশের আবাসন খাতের উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সাধারণ মানুষের আবাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি ড. আলী আফজাল। জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতিতে রিহ্যাবের ভূমিকা ও অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তিনি রিহ্যাবের প্রস্তাবনাগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রিহ্যাব নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

ড. আলী আফজাল রিহ্যাব সদস্যদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বলেন, ‘রিহ্যাব দেশের আবাসন খাতের সরকারস্বীকৃত একমাত্র ট্রেডবডি হিসেবে ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও আবাসন উন্নয়নে কাজ করে আসছে। আবাসন খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। বর্তমানে এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং জিডিপিতে এ খাতের ১৫ শতাংশ অবদান রয়েছে। পাশাপাশি সিমেন্ট, রড, ইট, সিরামিক, টাইলস, কাচ, রঙ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, স্যানিটারি, ফার্নিচার, পরিবহনসহ ৩০০-এর বেশি লিংকেজ শিল্প আবাসন খাতকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে।’

রিহ্যাব সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে রয়েছে

১. পরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন : প্রস্তাবনায় বলা হয়, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সীমিত ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২১০০ সাল পর্যন্ত সম্ভাব্য জনসংখ্যা, নগরায়ণ, আবাসনের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন খুবই জরুরি। সারা দেশের জমিকে কৃষি, বনাঞ্চল, জলাশয়, আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পাঞ্চল ও সংরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে শ্রেণিবিন্যাস করতে হবে এবং প্রতিটি জোনের জন্য পৃথক ব্যবহারবিধি নির্ধারণ করতে হবে। এতে অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার রোধ হবে, কৃষিজমি, শিল্পায়ন ও আবাসন উন্নয়ন সুশৃঙ্খল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সহজ হবে। পরিকল্পিত ও উলম্ব (ভার্টিক্যাল) নগরায়ণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন। সেই বাস্তবতায় বর্তমান ড্যাপ ও নির্মাণ বিধিমালা পুনর্মূল্যায়ন ও যুগোপযোগী সংস্কার করা প্রয়োজন।

২. নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের জন্য পিপিপিভিত্তিক আবাসন কর্মসূচি : নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ফ্ল্যাট ও আবাসন নির্মাণ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। সরকারের জমি, নীতিগত সহায়তা ও বেসরকারি খাতের দক্ষতা ও বিনিয়োগের সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

৩. মধ্যবিত্তের জন্য সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং লোন চালু : দেশের মধ্যবিত্ত মানুষের নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং লোনের একটি বিশেষ স্কিম চালু করতে হবে। উন্নত বিশ্বের মতো সহজ শর্তে গৃহঋণ চালু হলে লাখো পরিবার নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসনের সুযোগ পাবে এবং আবাসন খাতেও ইতিবাচক গতি সঞ্চার হবে।

৪. নিবন্ধন ব্যয়, ভ্যাট ও কর কাঠামো যৌক্তিকীকরণ : প্রস্তাবনায় বলা হয়, আমাদের দেশের নিবন্ধন ব্যয় এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি। মালয়েশিয়া, চীন, থাইল্যান্ড ও হংকংয়ের মতো আমাদের দেশের নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশ করা হোক। করের হার বাস্তবসম্মত হলে ক্রেতারা প্রকৃত লেনদেন মূল্য নিবন্ধনে উৎসাহিত হবেন ও অপ্রদর্শিত অর্থ সৃষ্টির প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। রিহ্যাব বিশ্বাস করে, কর ছাড়া একটি দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে করব্যবস্থা হওয়া উচিত বাস্তবসম্মত, বিনিয়োগবান্ধব, ন্যায়সঙ্গত, ঝামেলামুক্ত ও সম্পূর্ণ ডিজিটাল।

৫. জমির মালিকদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহার : চলতি অর্থবছরে জমির মালিকদের ওপর ফ্ল্যাট নির্মাণে আরোপিত ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়। রিহ্যাবের মতে, একজন ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে আর্থিক সুবিধা অর্জনের আগেই এই করের দায় সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের মূল্য বৃদ্ধি করে সাধারণ ক্রেতার আবাসন ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।

৬. পরিকল্পনা অনুমোদন প্রক্রিয়ার পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন : প্রস্তাবনায় বিল্ডিং তৈরির প্ল্যান অনুমোদন এবং জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অনাকাক্সিক্ষত হস্তক্ষেপ কমাতে প্ল্যান পাস-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। বলা হয়, এতে সেবা হবে দ্রুত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং হয়রানিমুক্ত, যা আবাসন খাতের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।

বৈঠকে রিহ্যাব সভাপতি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রিহ্যাব সবসময় সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রার দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও করতে আগ্রহী। এসব প্রস্তাবনা বাস্তবায়িত হলে আবাসন খাত আরও গতিশীল হবে এবং মধ্যবিত্তের আবাসনের স্বপ্ন পূরণ সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রিহ্যাব সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা কামনা করেন।

রিহ্যাবের প্রস্তাবনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাতের বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এমন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।’

তিনি বলেন, ‘নগরায়ণ শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক হলে চলবে না; দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে।’ এ সময় পরিকল্পিত উন্নয়নের সঙ্গে কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজউক বা সরকার নিজে আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করুক এমনটি তিনি চান না। বরং সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে পিপিপিভিত্তিক আবাসন কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজালের বক্তব্য ও প্রস্তাবনাগুলো শোনেন। তিনি উপস্থাপিত যৌক্তিক দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বারকাতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল করিম সিদ্দিকী, ইউনাইটেড গ্রুপের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজামউদ্দিন হাসান রশিদ, ইউনাইটেড গ্রুপের ম্যানেজার মুশফিকুল আলম খন্দকার, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মো. রেজাউল করিম, ইউএস-বাংলা অ্যাসেটস লিমিটেডের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জালাল ঘানি খান, স্বদেশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ কাইয়ুম এবং সেঞ্চুরি গ্রুপের চেয়ারম্যান এমজিআর নাসির মজুমদার।

বৈঠক শেষে রিহ্যাব সভাপতি বলেন, ‘আমরা আমাদের দাবিগুলো বলেছি। ড্যাপ সংস্কার প্রয়োজন। বর্তমান ড্যাপের মাধ্যমে দেশের আবাসন সংকট মেটানো সম্ভব নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে উচ্চ ভবন নিয়ে আগ্রহ বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছি। বর্তমান রেজিস্ট্রেশন ফি অনেক বেশি, তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছি। রাজউক যাতে নিজেই কোনো আবাসন ব্যবসায় না জড়ায় সেই আহ্বান জানিয়েছি।’

পোশাকশিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, তাই করবে সরকার : বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি এই খাতের অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

বৈঠকে বিজিএমইএর প্রতিনিধিরা পোশাকশিল্পের বিদ্যমান নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি খাতটির স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য কয়েকটি দাবি ও প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং যেসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব, সেগুলো নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অন্যান্য বিভাগের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

বৈঠক শেষে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে একটি সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। বিজিএমইএর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। বৈঠকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বস্ত্রশিল্পে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর : সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা। সাক্ষাতে দেশের বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ কথা জানিয়েছে।

বৈঠকে টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রশিল্পের অবদানের কথা তুলে ধরে এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা চান। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে বস্ত্রশিল্পের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি এ খাতের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠকে বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠিত হয়েছে।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, সহসভাপতি শামীম ইসলাম, সাবেক সভাপতি এ. মতিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক সৈয়দ এনায়েত কবির, ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হায়দার, পরিচালক চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ সোয়েব, বাদশা মিয়া ছাড়াও আমানত শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া, মুন্নু ফেব্রিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিউল ইসলাম।