রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি নিরসনে করণীয়

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, দেশের অনেক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে উচ্চঝুঁকিতে। দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো এক সময় আশার প্রতীক ছিল। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী ভগ্ন রাষ্ট্রকে দাঁড় করানোর হাতিয়ার ছিল, কিন্তু পরবর্তী সময় সেই প্রতিষ্ঠানগুলোই লোকসান আর ঋণের পাহাড় নিয়ে জাতীয় অর্থনীতির অস্থিসার বুকে জগদ্দল পাথর হয়ে চেপে বসেছে। ১২২টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মধ্যে ৪৯টিই বর্তমানে ‘অতি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত। এগুলোর সম্মিলিত পুঞ্জীভূত দায় ৫ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি, যা দেশের মোট জিডিপির প্রায় ১৩ শতাংশের সমান। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডেরই একক দায় ১ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, পেট্রোবাংলার ৬৭ হাজার কোটি, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির ৫৬ হাজার কোটি, বাংলাদেশ সেতু কর্র্তৃপক্ষের ৪১ হাজার কোটি টাকা। এই সংখ্যাগুলো কেবল আর্থিক পরিসংখ্যান নয়, বরং এগুলো একটি সুসংহত কাঠামোগত ব্যর্থতার গল্প বলে, যেখানে রাজনৈতিক স্বজনপ্রীতি, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং জনতুষ্টি ও পৃষ্ঠপোষকতাকামী পুঁজিবাদের (ক্রোনি ক্যাপিটালিজম) এক ভয়ংকর মিশ্রণ রাষ্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিদের গোষ্ঠীস্বার্থে রূপান্তরিত করেছে। এই পতনের ঐতিহাসিক বীজ রোপিত হয়েছিল ১৯৮০-এর দশকের কিছু আগে থেকে, বিশেষ করে জেনারেল এরশাদের সরকারের শাসনামলে। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসা নির্বাচিত সরকারগুলো বিভিন্ন মহলের পরামর্শ সত্ত্বেও পূর্ববর্তী ধারা অব্যাহত রেখে এসওই খাতে সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়। উল্টো রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বিক্রির নামে স্বল্পমূল্যে আত্মীয়স্বজনও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে সম্পদ হস্তান্তরের এক নতুন অপসংস্কৃতির জন্ম দেওয়া হয়। পাটকল, চিনিকল, টেক্সটাইল মিল বহু আগেই বন্ধ অথবা পুনর্গঠন জরুরি ছিল।

এই প্রবণতাকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হলে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ জেমস এম. বুকাননের ‘পাবলিক চয়েস থিওরি’র আশ্রয় নিতে হয়। এই তত্ত্ব অনুসারে, সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদরা ক্রমবর্ধমান মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের মতোই নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ সর্বোচ্চ করতে চান এবং তারা জনস্বার্থের চেয়ে নিজের বা নিজের গোষ্ঠীর স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে পেশাদারদের পরিবর্তে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বা দলীয় অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা এই তত্ত্বের হুবহু প্রতিফলন। এক সময় অত্যন্ত লাভজনক কোম্পানি হিসেবে পরিচিত ডেসকোতে পেশাদার ব্যবস্থাপকদের সরিয়ে রাজনৈতিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়ার পর তা উচ্চ ঝুঁকিতে পড়ে। অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত অর্থনীতিবিদ স্টিফেন রস, মাইকেল জেনসেন ও উইলিয়াম মেকলিং-এর ‘প্রিন্সিপাল-এজেন্ট সমস্যা’ও প্রকট হয়ে ওঠে, যেখানে মালিক (জনগণ বা সরকার) এবং ব্যবস্থাপক (এজেন্ট)-এর স্বার্থের মধ্যে মৌলিক দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে এজেন্টরা দক্ষতা ও জবাবদিহির পরিবর্তে রাজনৈতিক আনুগত্যকে প্রাধান্য দেন, এ অভিযোগ নতুন নয়। ফলে এজেন্সি কস্ট ক্রমাগত বাড়ে এবং প্রতিষ্ঠানের মূলধন ক্ষয় হতে থাকে।

বিশ্বখ্যাত হাঙ্গেরীয় অর্থনীতিবিদ ইয়ানোস কর্নাইয়ের ‘সফট বাজেট কনস্ট্রেইন্ট’ তত্ত্বও এই প্রবণতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দেয়। কর্নাই দেখিয়েছিলেন, কার্ল মার্কসের দর্শনের বাইরে চলে আসা সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কখনোই দেউলিয়া হয় না। কারণ সরকার সব সময় তাদের ঋণ মওকুফ করে বা নতুন করে ভর্তুকি দেয়। বাংলাদেশের চিত্রও প্রায় একই রকম। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, উন্নয়ন অর্থনীতি এবং ‘রেন্ট-সিকিং’ তত্ত্বের প্রবর্তক অ্যান ক্রুগারের ‘রেন্ট-সিকিং থিওরি’ এই সংকটের আরেকটি মাত্রা উন্মোচন করে। ক্রুগার প্রমাণ করেছিলেন, বিশেষ স্বার্থবাদী গোষ্ঠী বাজার প্রতিযোগিতার নামে সম্পদ সৃষ্টির পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ‘মুফতে-ফাউফাউ’ সম্পদ হাতিয়ে নেয়। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে ‘কুইক রেন্টাল’ ক্যাপাসিটি চার্জভিত্তিক ক্ষতিকর চুক্তি, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে অলিগার্ক শ্রেণিকে অগ্রাধিকারভিত্তিক ঋণ বিতরণ আর স্বল্পমূল্যে রাষ্ট্রীয় সম্পদ হস্তান্তর, রেন্ট-সিকিংয়ের জ¦লন্ত উদাহরণ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ‘পেট্রোনেজ-ক্লায়েন্টেলিজম’ ও ‘নিও-প্যাট্রিমোনিয়ালিজম’ তত্ত্ব এই সংকট-প্রবণতার রাজনৈতিক কাঠামোটিকে ব্যাখ্যা করে। পেট্রোনেজ-ক্লায়েন্টেলিজম মডেল অনুসারে, শাসকগোষ্ঠী রাজনৈতিক সমর্থনের বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা অনুগতদের কাছে বণ্টন করে। বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষপদে নিয়োগ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়, ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা ধ্বংস হয়ে যায়। গত তিন দশক ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মালিকানা ও শীর্ষ পদগুলোয় রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক প্রভাবে নির্ধারিত হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিটক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও একই কারণে দক্ষ ব্যবস্থাপনা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বাংলাদেশের অনেক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান তাদের সামাজিক দায়িত্ব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জনসেবা প্রদান, আর্থসামাজিক বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আশানূরূপকিছু দৃশ্যমান করতে পারেনি। হিসাববিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘ক্রিয়েটিভ অ্যাকাউন্টিং’ ও ‘এজেন্সি কস্ট’ তত্ত্বও বিদ্যমান সংকটের আর্থিক প্রকৃতিকে উন্মোচন করে। অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোয় মনগড়া আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করা সাধারণ চর্চায় পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে না, আর্থিক প্রতিবেদনে বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানের সত্যতা নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র রাখে না। এমনকি অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেলের তথ্যের মধ্যে ব্যাপক ব্যবধান ৬.৩৯ লাখ কোটি বনাম ৪.৬২ লাখ কোটি ঋণ, সম্মিলিত অস্বচ্ছতার জ¦লন্ত প্রমাণ। নোবেল বিজয়ী জোসেফ স্টিগলিৎজের ‘তথ্যের অসমতা’ তত্ত্ব অনুসারে, যখন ব্যবস্থাপনা ও মালিকের মধ্যে তথ্যের অসমতা থাকে, তখন অপব্যবস্থা ও দুর্নীতি পাকাপোক্ত হয়। অভিযোগ আছে, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে তথ্যের অসমতা চরম পর্যায়ের, ফলে প্রকৃত আর্থিক চিত্র আড়াল করা সহজ হয়।

আধুনিক মনোবিজ্ঞান বিশেষ করে ‘ইতিবাচক মনোবিজ্ঞান’-এর জনক মার্টিন সেলিগম্যানের ‘লার্নড হেল্পলেসনেস থিউরি’ বা ‘শিখে ফেলা অসহায়ত্ত তত্ত্ব’ এই সংকটের মনস্তাত্ত্বিক দিক উন্মোচন করে দেখিয়েছেন, যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বারবার ব্যর্থ হয় এবং দেখে যে তাদের প্রচেষ্টার কোনো ফল হয় না, অথচ কেউ কিছু বলে না তখন তারা উন্নতির সব চেষ্টা বন্ধ করে দেয়। ‘অর্গানাইজেশনাল সাইলেন্স’ বা প্রাতিষ্ঠানিক নীরবতা তত্ত্ব এ ক্ষেত্রে জরুরি, যা ব্যাখ্যা করে যে কীভাবে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি কর্মীদের সমস্যা তুলে ধরতে নিরুৎসাহিত করে। আরও অভিযোগ আছে, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী অলস বসে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন, কিন্তু কেউই বড় অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলছেন না। কারণ এই অপসংস্কৃতি তাদের মুখ খুলতে নিরুৎসাহিত করে। নোবেল বিজয়ী ড্যানিয়েল ক্যানেম্যানের ‘প্রসপেক্ট থিওরি’ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দেয়। ক্যানম্যান দেখিয়েছেন, মানুষ ক্ষতির ভয়ে অতিরিক্ত ঝুঁকি এড়ায়। আমাদের সরকারগুলো লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বা প্রকৃত উদ্যোক্তাদের হাতে দিতে অনীহা দেখায় রাজনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কায়। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ঋণের বোঝা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। এই ‘লস অ্যাভারশন’ বা ক্ষতি-এড়ানোর মনোভাব সরকারকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘ডেভেলপমেন্ট অ্যাজ ফ্রিডম’ তত্ত্ব অনুসারে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোয় এই তিনটির কোনোটিই নেই। অথচ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সংস্কারে সফল মডেল গ্রহণ করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে এই শিক্ষাগুলো গ্রহণ না করে ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের পেট্রোনেজ মডেলেই আঁকড়ে ধরার প্রয়াস চলে।

এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ সুস্পষ্ট, তবে তা রাজনৈতিক সাহস ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। প্রথমত, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করতে হবে, কৌশলগত ও অ-কৌশলগত। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, জরুরি পরিবহনের মতো কৌশলগত প্রতিষ্ঠান সরকারি মালিকানায় থাকবে, কিন্তু সেগুলো পেশাদার স্বায়ত্তশাসিত বোর্ড দ্বারা পরিচালিত করা দরকার এবং সামাজিক সেবার জন্য নির্দিষ্ট ভর্তুকি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার পথ তৈরি করতে হবে। চিনিকল, পাটকল, টেক্সটাইল মিলের মতো অ-কৌশলগত প্রতিষ্ঠান সৎ উদ্যোক্তাদের দিতে হবে অথবা বন্ধ করে তাদের জমি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা দরকার। একটি ‘স্বাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কমিশন’ গঠন করতে হবে, যেটি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকবে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য পারফরম্যান্স কন্ট্রাক্ট, ফরেনসিক অডিট ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষপদে নিয়োগে যোগ্যতাভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া চালু করা বাঞ্ছনীয়।

 ‘নিউ পাবলিক ম্যানেজমেন্ট’ তত্ত্ব অনুসারে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য পারফরম্যান্স কন্ট্রাক্ট চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত জনবল হ্রাস করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথ বের করতে হবে। ‘লার্নড হেল্পলেসনেস’ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরে এক নতুন সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এবং হুইসেল ব্লোয়ার (জনগুরুত্বপূর্ণ গোপন কথা) সুরক্ষা নীতি চালু করা জরুরি, যা প্রাতিষ্ঠানিক নীরবতা ভেঙে সমস্যা তুলে ধরার

সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাবে ।  রুগ্ন কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে নির্মোহ সিদ্ধান্তের কোনো বিকল্প নেই। সরকারকে এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। বিশে^র অন্যান্য দেশের কর্মপদ্ধতি থেকে শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে।  

লেখক : অর্থনীতির বিশ্লেষক ও শিক্ষাবিদ