রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আকুপ্রেশার

মনোজ মাহামুদ

রিফ্লেক্সোলজি ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেন বাড়াবেন : সর্দি-কাশি ও মৌসুমি রোগের প্রকোপ কমায়। ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয়। স্বাস্থ্যকর ও সক্রিয় জীবনযাপন নিশ্চিত করে।  দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখে।

করণীয়

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : মৌসুমি ফল, সবুজ শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম ও দুধ, বাদাম ও বীজ।

আমলকী : আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমলকী বা আমলকীর রস খেতে পারেন।

রসুন : রসুনে বিভিন্ন উপকারী উপাদান রয়েছে, যা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভালো রাখে।

পর্যাপ্ত ঘুম : প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার স্বাভাবিক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত ব্যায়াম : প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা, হালকা ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম, আকুপ্রেশার চর্চা উপকারী।

পর্যাপ্ত পানি পান : পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ : অতিরিক্ত মানসিক চাপ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে। ধ্যান, প্রার্থনা বা শখের কাজ উপকারী হতে পারে।

রোদে কিছু সময় থাকা : সকালের নরম রোদে ১০-১৫ মিনিট থাকলে শরীর ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে, যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরোয়া পানীয় : গরম পানি ১ কাপ, লেবুর রস আধা চা চামচ, মধু ১ চা চামচ।

চাপ প্রয়োগের নিয়ম ও সময় : প্রতিটি পয়েন্টে সহনীয়ভাবে পাম্প করার মতো করে এক থেকে দুই মিনিট চাপ দিন। দিনে এক থেকে দুবার থেরাপি করতে পারেন। খাওয়ার আগে বা খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে এটা করা ভালো।