সিএমপি কমিশনারের বাসার সামনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট

চট্টগ্রামে এবার নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন পুলিশ কমিশনারের বাসার সামনেই এক আবাসন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাটি  ঘটলেও তা গোপন রাখার চেষ্টা করে পুলিশ। ভুক্তভোগী অভিযোগ দিলেও ঘটনার দুদিন পরও নিয়মিত মামলা রুজু করেনি পুলিশ।

এর আগে গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে নগরের চকবাজার থানা এলাকায় ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) নামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠানে  হামলা, ভাঙচুর ও ৩৫ লাখ টাকা লুট করে দুর্বৃত্তরা। নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনের নির্দেশে তার সহযোগীরা ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পৃথক অভিযানে প্রথমে ৮ জনকে পুলিশ, পরে  ঘটনার সমন্বয়কারী মাইকেলসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৭। এ সময় হামলায় ব্যবহৃত চারটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়।

এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নগরের নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির ১ নম্বর রোডে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের বাসভবনের সামনেই  দিনদুপুরে আটলান্টিক লিভিং লিমিটেড নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাটি ঘটল। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ মোসলেম গতকাল শনিবার রাতে দেশ রূপান্তরকে জানান, আটলান্টিক লিভিং লিমিটেড নামে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জায়গাটি তাদের মালিকানাধীন। হাবিবুল্লাহ ইদ্রিস নামে এক ব্যক্তি জায়গাটি কিনে নিতে সম্প্রতি তাকে (মোসলেম) প্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় হাবিবুল্লাহ ইদ্রিস তিন-চারজন ‘ভাড়াটে সন্ত্রাসী’ দিয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটান। মোহাম্মদ মোসলেম বলেন, ‘হেলমেট পরে ৩-৪ জন সন্ত্রাসী আমাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। খবর পেয়ে আমি ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।