কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে সিএনজি স্টেশন মালিকদের আহ্বান করা ধর্মঘট প্রত্যাহার হতে পারে। গতকাল শনিবার বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে পেট্রোবাংলা স্টেশন মালিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছে। এতে প্রথম দিন অর্থাৎ ৩০ জুলাইয়ের এক দিনের প্রতীকী ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।
বৈঠকের পর পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন) রফিকুল ইসলাম জানান, ‘আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছি। মালিকরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। তারা দুদিন সময় নিয়েছেন। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সোমবার সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বৈঠকে জানিয়ে গেছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের মূল দাবি কমিশন বৃদ্ধির বিষয়ে জ¦ালানি বিভাগে চিঠি দিচ্ছি। মন্ত্রণালয়ের উত্তর পাওয়া গেলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-কে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেব।
স্টেশন মালিকদের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০ জুলাই সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশব্যাপী ১৮ ঘণ্টার প্রতীকী ধর্মঘটের পাশাপাশি ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যাওয়ার কথা ছিল। ঢাকায় নিজেদের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মালিকরা গত সপ্তাহে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করাসহ চার দফা দাবি জানান।
এ বিষয়ে শনিবার বিকেলে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। এতে পেট্রোবাংলার চার পরিচালক ছাড়াও তিতাস ও আরপিজিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিএনজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূরের নেতৃত্বে সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে ফারহান নূর জানান, তারা রবিবার (আজ) মালিকদের সঙ্গে জুমে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাবেন। তবে এমনিতেই দেশে গ্যাসের সংকট চলছে। এর মধ্যে তিনি নতুন করে মানুষের সংকট না বাড়ানোর পক্ষে। বিষয়টি সংগঠনের অন্য সদস্যদের বোঝানোর চেষ্টা করবেন। এরপরও বৈঠকে অন্য মালিকরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।