কিশোরগঞ্জে দুই দিনে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ৯ জনের

কিশোরগঞ্জে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। গত শুক্রবার সকাল থেকে গত শনিবার বিকেল পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ছয় শিশু, দুই যুবক ও একজন মধ্যবয়সী ব্যক্তি রয়েছেন। একের পর এক এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় হাওরে আসা পর্যটকদের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও পুরো জেলায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে জলাশয় ঘিরে শিশু ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মৃতরা হলেন নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের নানশ্রী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মো. হাকিম (৫), গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার এরশাদ নগরের বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের ছেলে ও মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হোসেন (১২), কটিয়াদী উপজেলার দক্ষিণ লোহাজুরি গ্রামের মজলু মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া (১১), ভৈরব উপজেলার জগন্নাথপুর মধ্যপাড়া এলাকার সোহেল মিয়ার ছেলে শুভ ইসলাম স্মরণ (১২), কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল এলাকার ফিজিওথেরাপিস্ট বাছির উদ্দিন মিলন (৪২), ইটনা উপজেলার পাঁচকাহনীয়া গ্রামের মো. নাইমের মেয়ে ফাইজা (৮), সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের ডুবাইল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে ফয়সাল (২২), বাজিতপুর পৌর শহরের মিরারবন্দ গ্রামের সুজন মিয়ার ছেলে তাহসিন মিয়া (৩) এবং একই গ্রামের শাওন মিয়ার মেয়ে মাওয়া আক্তার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একের পর এক এসব দুর্ঘটনায় দেশের বিভিন্ন এলাকার হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটকদের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এদিকে নিহতদের পরিবারে চলছে আহাজারি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষাকালে অসতর্কতা, অভিভাবকদের নজরদারির ঘাটতি এবং অরক্ষিত জলাশয় এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।