অস্ত্রসহ পাগলা সোহেল গ্রেপ্তার

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে গণপিটুনিতে আহত সন্ত্রাসী খোরশেদ আলম ওরফে পাগলা সোহেলকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশ। তার নামে মাদক, ছিনতাই ও ধর্ষণসহ আটটি মামলা রয়েছে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, খোরশেদ আলমের কাছ থেকে গুলিভর্তি একটি দেশীয় পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে খোরশেদের পরিবারের অভিযোগ, ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার দুপুরে আহতাবস্থায় খোরশেদকে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন।

আহত খোরশেদের স্ত্রী তারিন আক্তারের দাবি, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তার স্বামী ইট-বালু সরবরাহের ব্যবসা করেন। এ নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এক পক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল।

এর আগে প্রতিপক্ষ তাদের হুমকিও দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন খোরশেদের স্ত্রী। পরে গতকাল ওই পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে খোরশেদকে সেখানে ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং অস্ত্র দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। খিলগাঁও থানার সহকারী উপপরিদর্শক ইমরান শেখ জানান, খিলগাঁও এলাকায় ডিউটি করার সময় থানার মাধ্যমে জানতে পারি নন্দিপাড়া পানির পাম্পের সামনে এক ব্যক্তিকে গণধোলাই দিয়েছে জনতা। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ৪০ থেকে ৫০ জন লোক তাকে ঘিরে রেখেছেন। আহত সোহেল রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। এ সময় জনগণ ওই ব্যক্তির কাছে থাকা একটি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে জমা দেয়। খিলগাঁও থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, আটককৃত খোরশেদ আলম ওরফে পাগলা সোহেল চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার নামে ৮টি মামলা রয়েছে।