ব্যবসায়ীরা রাজস্ব দিলেও সম্মান পান না

আমিরুল হক

প্রেসিডেন্ট, চিটাগং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

গ্যাসের ক্রাইসিস বিশ্বজুড়ে। সারা বিশ্ব এখন গ্যাস ও জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কায়। বাংলাদেশও সেই শঙ্কা থেকে দূরে নয়। এই সংকট বিশ্বজুড়ে। সুতরাং তা বৈশ্বিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। তবু কি আমাদের কিছুই করার নেই?

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, আমাদের মাটির নিচে গ্যাস রয়েছে কিনা; তা কি অনুসন্ধান করছি নিয়মিত? ১৯৯৮ সালে শেভরন সিলেটে গ্যাসকূপ আবিষ্কারের পর আমাদের আর গ্যাসকূপ খনন কই? আমার এতো বছর নিয়মিত গ্যাসকূপ খনন করিনি। আমরা শুধুমাত্র ফার্নেস অয়েল দিয়ে আমাদের চাহিদা মিটিয়ে গেছি। কিন্তু মৌলিক গ্যাস কই? বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করলেই কি সমাধান হয়ে যাবে? মোটেও না। আমাদেরকে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে যেতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তি ছাড়া শিল্পের বিকাশ হবে না।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য হ্যান্ডলিং হচ্ছে। সেই পণ্য থেকে কাস্টমস রাজস্ব আদায় করে। এখানকার ব্যবসায়ীরা দেশের সিংহভাগ রাজস্ব সরকারকে দিলেও আমরা কি তাদের কাছে সম্মানটুকু পাই? সম্মান না পেলে নতুন ব্যবসায়ী এখানে ব্যবসা করতে আসবেন না।

চট্টগ্রাম বন্দরকে বছরের পর বছর ধরে বলা হচ্ছে বে-টার্মিনাল চালু করার জন্য। কিন্তু এর কোনো অগ্রগতি নেই। অপরদিকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর যেখানে নির্মাণ করা হয়েছে; সেখানে ড্রেজিং খরচ অনেক। সেজন্য সেখানকার সোনাদিয়া প্রাকৃতিক ড্রাফটে গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তুলতে হবে।

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের প্রমোট করতে কাজ করছে চিটাগং চেম্বার। আর তাদের মাধ্যমেই আগামীতে বৈচিত্র্যপূর্ণ রপ্তানি খাত আসবে।