‘মাস্টারপ্ল্যান’ মানতে হবেই, কোনো ছাড় নেই

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০ এএম

প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন

চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ হয়েছে। এখন আর সেদিন নেই। সিডিএর চলমান মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামীতে একটি দেয়ালের গাঁথুনি হলেও তা হতে হবে মাস্টারপ্ল্যানের আলোকে। নগরীর প্রধান সড়কের পাশে যারা অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ করেছেন; সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একইভাবে হাসপাতাল, মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে ব্যবহারকারীদের পার্কিং রাখার কথা থাকলেও যারা রাখেননি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নগরীর হাসপাতালগুলোতে শুধু ডাক্তারের গাড়ি রাখার পার্কিং রয়েছে। রোগী কিংবা রোগীর স্বজনদের গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ নেই। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

চট্টেশ্বরী রোডের সিজিএস স্কুল ও জামালখানের আইডিয়াল স্কুলের কারণে মারাত্মক যানজট হয়। এই দুই স্কুল মনে করে সামনের রাস্তাটি তাদের পৈতৃক। আমরা তা হতে দেব না। এই শহরের প্রতিটি ভবনে পার্কিং রাখতে হবে। সিডিএর অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ করতে পারবে না। নালা-খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ কিংবা পাহাড় কেটে ভবন নির্মাণ কোনোটি করা যাবে না। আমরা এই নগরকে সবুজায়নের মাধ্যমে নান্দনিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নগরীর উন্মুক্ত স্থান কিংবা কৃষিজমি ভরাট করা যাবে না।

ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তোলা হবে। ভবনের ছাদগুলোতে সৌর বিদ্যুতের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ভবনের নিচে একটি পৃথক ওয়াটার রিজার্ভার রাখা বাধ্যতামূলক করছি ভবনের নকশায়। নগরীতে যাতে জনসংখ্যার চাপ কমে আসে সেজন্য সীতাকু-, হাটহাজারী, আনোয়ারা ও পটিয়ায় ‘স্যাটেলাইট সিটি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত