প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চট্টগ্রাম ওয়াসা
একটি বিশ্বমানের শহরে সুপেয় পানির সমস্যা থাকতে পারে না। আমরা সেই পানির সমস্যা দূর করতে নতুন তিন প্রকল্পের আওতায় নগরীতে দিনে আরো ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। এতে আগামী ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে নগরীতে সুপেয় পানির কোনো সঙ্কট থাকবে না।
হালদা নদীর পানি পরিশোধন করে দিনে ৩০ কোটি লিটার, কর্ণফুলীর পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ১০ কোটি এবং বোয়ালখালীর ভান্ডালজুরির আওতায় আরো ১০ কোটি লিটার পানি উৎপাদনের নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। একইসাথে শুস্ক মৌসুমে যাতে চট্টগ্রামে লবণপানি পাওয়া না যায়; সেজন্য কাপ্তাই হ্রদের ১৬টি স্পিলওয়ের (জলকপাট) মধ্যে সবসময় দুটি খোলা রাখার বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়েছে। এর ফলে এ বছর শুষ্ক মৌসুমে চট্টগ্রাম মহানগরীতে লবণপানির আধিক্য কম ছিল। শুধু পানি সরবরাহ নয়, চট্টগ্রাম মহানগরীতে স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কাজ করছে ওয়াসা। আগামী বছরের শেষে বা ২০২৮ সালের শুরুতে হালিশহর ক্যাচমেন্ট এর আওতায় নগরীতে প্রথম স্যুয়ারেজ প্রকল্প চালু হতে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পুরো নগরী যাতে এই স্যুয়ারেজের আওতায় চলে আসে সেজন্য অন্যান্য ক্যাচমেন্ট এরিয়ার কাজগুলো চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি যাতে পরিবেশের জন্য টেকসই হয় এবং নগরবাসীর গলার কাঁটা না হয়; সেজন্য আমরা পরিবেশ-প্রতিবেশের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি।