মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ,ভিডিও ধারণ ও পরবর্তীতে ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করা হয়। এতে ওই কিশোরী অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় চরম অসহায় হয়ে পড়ে ওই কিশোরী ও তার পরিবার।
তবে অবশেষে ওই কিশোরীর ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো.:কামরুজ্জামান রতন। এই সময় তিনি বলেন, ধর্ষিতার পাশে আছি,সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। সোমবার(১০ আগষ্ট) সন্ধ্যা ৮-৩০ মিনিটে উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দী গ্রামে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া, সংসদ সদস্যের সহধর্মিনী নূরে জান্নাত রশ্নি, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো: মোজাম্মেল হক মুন্না, সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল শিকদার, সাবেক জেলা ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলাম জসিম, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক খন্দকার জালাল রীমু, সদস্য সচিব নাজির শিকদার, ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপি'র সদস্য সচিব নুরুল আমিন সরকার,যুবদল নেতা সবুজ শিকদার, রেজাউল করিম তারেক,উপজেলা জাসাস সভাপতি সোলায়মান প্রধান,উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো:মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।
এ সময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন অশ্রুসিক্ত কন্ঠে বলেন, আমরা ধর্ষিতার পাশে আছি, তাকে সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো,যারা এই জঘন্য কাজে জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করবো।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল ও সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য গত পাঁচ/ছয় মাস পূর্বে হত দরিদ্র এই কিশোরীকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে গলা চেপে ধরে ধর্ষণ করে স্থানীয় বখাটে যুবক ইসমম (১৮),যা গোপনে ভিডিও ধারণ করে,পরবর্তীতে এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁরা বন্ধু মারুফ(১৭) ও অহিদুল(১৭)ঐ কিশোরীকে ধর্ষণ করে,যার ফলে মেয়েটা ৫ মাসের অন্ত:স্বত্ত্বা হয়ে পড়ে।