মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চর রমজানবেগ (গুচ্ছ গ্রাম) সংলগ্ন এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে নদীতে কচুরিপানার মধ্যে মরদেহ ২টি ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয় মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানান।
নৌ পুলিশ জানায়, রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে মেঘনা নদীর চর রমজানবেগ এলাকা থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ ২টি উদ্ধার করে ট্রলারযোগে চরকিশোরগঞ্জ ফেরিঘাটে আনা হয়। সেখানে পরিচয় শনাক্তের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়। তবে মরদেহ অর্ধগলিত হয়ে যাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মরদেহ ২টি কীভাবে মেঘনা নদীর ওই এলাকায় এল, তারা কোন ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছিলেন কি না কিংবা অন্য কোনো স্থান থেকে নদীতে ভেসে এসেছে কি না—এসব প্রশ্নও সামনে এসেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
৯৯৯-এ ফোন করা মনির হোসেন বলেন, সকালে ঘাস কাটতে যাচ্ছিলাম। তখন নদীতে কচুরিপানার মধ্যে আটকা অবস্থায় দুইজন পুরুষ ও একজন নারীসহ সর্বমোট ৩টি মরদেহ দেখতে পাই। এরপর নৌ পুলিশ এসে দুইটি মরদেহ উদ্ধার করে। নদীর বিভিন্ন জায়গায় আরেকটি মরদেহ খোঁজ করলেও দুপুর পর্যন্ত কোন হদিস পাওয়া যায়নি।
নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ দুটির পরিচয় শনাক্তে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু অর্ধগলিত থাকায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরিচয় শনাক্তের জন্য দেশের সব থানায় খবর পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া নৌ পুলিশ এর অফিসার ইনচার্জ শরজিৎ কুমার ঘোষ বলেন, মরদেহ ২টি ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
আনোয়ারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু