ব্যাকপ্যাক

এক সময় ব্যাকপ্যাক মানেই ছিল স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ভ্রমণপিপাসু কিংবা পর্বতারোহীদের প্রয়োজনীয় সঙ্গী। তবে ১৯৭০-এর দশক থেকে নারীদের জন্য আলাদা নকশার ব্যাকপ্যাক তৈরি শুরু হয়। এরপর ১৯৯০-এর দশকে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর হাত ধরে লেডিস ব্যাকপ্যাক রানওয়ে থেকে দৈনন্দিন জীবনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। লেডিস ব্যাকপ্যাকের রয়েছে অসংখ্য বৈচিত্র্য।মিনি ব্যাকপ্যাক, লেদার ব্যাকপ্যাক, ক্যানভাস ব্যাকপ্যাক, ট্রাভেল ব্যাকপ্যাক, ল্যাপটপ ব্যাকপ্যাক, অ্যান্টি-থেফট ব্যাকপ্যাক, কুইলটেড ব্যাকপ্যাক এবং কনভার্টিবল ব্যাকপ্যাক। প্রতিটি ধরনই ভিন্ন ভিন্ন প্রয়োজন ও উপলক্ষকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়। অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, ভ্রমণ কিংবা সপ্তাহান্তের আড্ডা। সব ক্ষেত্রেই এখন ব্যাকপ্যাকের আলাদা আবেদন রয়েছে।

 লেডিস ব্যাকপ্যাক ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো শরীরের দুই কাঁধে সমানভাবে ওজন ভাগ করে নেয়া যায়। ফলে দীর্ঘ সময় বহন করলেও ক্লান্তি কম হয়। একই সঙ্গে হাত থাকে মুক্ত, যা বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেয়। প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখার জন্য একাধিক কম্পার্টমেন্টও এটিকে আরও ব্যবহারবান্ধব করে তুলেছে। ক্যাজুয়াল পোশাকের সঙ্গে মানানসই ভাবা হলেও এখন শাড়ি, কুর্তি, জিন্স, পার্টি কিংবা স্মার্ট ফরমাল পোশাক সবকিছুর সঙ্গেই ব্যাকপ্যাক মানিয়ে যায়।