অপরাধ দমনে ডিএমপির নির্দেশনা

মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ, হোটেল ও স্পা সেন্টারে অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং ছিনতাই প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। গতকাল সকালে রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে জুলাই মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে। মাদক কারবারি ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করতে হবে।

থানা এলাকায় হোটেল ও স্পা সেন্টারে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড যাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অবৈধ কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রাখারও নির্দেশ দেন। ছিনতাইপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে ক্রাইম বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সিটিটিসি ও ডিবিকে ২৪ ঘণ্টা মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি। এসব এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অভিযান জোরদার করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথাও বলেন।

মামলার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও তদন্ত কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন, প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা যথাযথভাবে যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, যুগ্ম পুলিশ কমিশনাররা, উপ-পুলিশ কমিশনাররা, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনাররা, সহকারী পুলিশ কমিশনাররা, ডিএমপির সব থানার অফিসার ইনচার্জরা ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।