শুরুটা ছিল দুই দলের দুই রকম। মালয়েশিয়া বিনা উইকেটে ৮৯ রান তোলে। বিপরীতে লক্ষ্য তাড়ায় ৫৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩। শেষ পর্যন্ত সে চাপ সামলে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মালয়েশিয়া জাতীয় দলকে ৩ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে যুবারা।
বাংলাদেশের জয়ে আবারও বড় অবদান শেখ পারভেজ জীবনের। প্রথম ওয়ানডেতে ম্যাচসেরা হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও একই পুরস্কার পেয়েছেন এই অলরাউন্ডার। টানা ২ ম্যাচেই ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি। আজ ৮ ওভারে মাত্র ২৩ রান খরচ করে মালয়েশিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান জীবন।
আগে ব্যাট করে মালয়েশিয়ার শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। আসলাম খান মালিক ও সাইফ উল্লাহ মালিকের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৯ রান। ২৫ রানে সাইফকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন জীবন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় সফরকারীরা। এক প্রান্ত আগলে রাখা আসলাম অবশ্য লড়াই চালিয়ে যান। ১০৭ বলে ঠিক ১০০ রান করে নয় নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি। তার উইকেটটিও নেন জীবন। বোল্ড করে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেটের কোটা। আসলামের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও মালয়েশিয়া বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি। ১৭৬ রানে অলআউট হয় তারা।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যুবারা। ৫৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায়ও তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতে হাল ধরেন আহরার আমিন ও দেবাশিস সরকার। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের ৯২ রানের জুটি ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়। দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। ৪১ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৮ রান করে দেবাশিস আউট হলেও জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন আহরার। তার ব্যাট থেকে আসে ৭৬ বলে অপরাজিত ৫৭ রান। শেষ পর্যন্ত ৩১ ওভার ৫ বলে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩।