সময়টা এখন বাংলাদেশ দলকে ‘প্রাপ্ত স্বীকৃতি’ দেওয়ার

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শান্ত-হাসানদের দুর্দান্ত ও ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশংসার বন্যায় ভাসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের এই সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ।

বিশপের মতে, ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশের এই দাপুটে জয় পর্যাপ্ত প্রশংসা বা স্বীকৃতি, বিশেষ করে অতীতে যারা এমন করা থেকে বিরত ছিল। 

বাংলাদেশের এই অর্জনকে দেশের মানুষ ও ক্রিকেট ইতিহাসের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত উল্লেখ করে বিশপ তার পোস্টে লেখেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের এবং সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। অতীতে যাদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত প্রশংসা বা স্বীকৃতি মেলেনি, এবার নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের প্রাপ্য সম্মান ও স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য।’


দলের এই অবিস্মরণীয় জয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানজিদ হাসান তামিমদের অবদানের পাশাপাশি পেসার হাসান মাহমুদের ধারাবাহিকতা ও বোলিং অ্যাকশনের প্রশংসা করেছেন এই ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি। ‘মেহেদী, তানজিদসহ এই জয়ে অবদান রেখেছেন অনেকেই। তবে বিশেষ করে হাসান মাহমুদ গত কয়েক বছর ধরে সম্পূর্ণ ফিট থাকার সুবাদে অত্যন্ত নিখুঁত লাইন ও লেংথের বোলার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং তার বোলিং অ্যাকশনটিও বেশ মার্জিত ও সাবলীল। কোচ ফিল সিমন্স এবং তার পুরো স্কোয়াডের জন্য অনেক শুভকামনা। অসাধারণ!’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের এই ফেরাটা লম্বা সময় মনে রাখবে স্বাগতিরা। ২০০৩ সালে এই ডারউইনেই অজিদের বিপক্ষে প্রথম লাল বলের ক্রিকেটে নেমেছিল বাংলাদেশ। সেখানে ইনিংস ও ১৩২ রানের ব্যবধানে হেরেছিল সফরকারীরা। সিরিজের পরের ম্যাচটাও ছিল ইনিংস ব্যবধানের হার।

তবে ২৩ বছর পর সেই মাঠেই এবার পূর্ণ শক্তির অস্ট্রেলিয়ার দলের দম্ভ চূর্ণ করে ইতিহাস গড়লো শান্ত-মিরাজরা। চার দিনেই এনে দিল ফলাফল, ৯ উইকেটের বিশাল জয়। তাই তো ইয়ান বিশপের কন্ঠে বাংলাদেশের প্রতি সম্মান আর তাদের প্রাপ্য কৃতিত্ব আর স্বীকৃতি দেবার সুর।