২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয়, আবার ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে ৫৪৬ রানের বিশাল জয়। পরিসংখ্যান বলছে টেস্টে এই দুটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আবার ইনিংসের ব্যবধানে জয়ও আছে চারটা। তবে ডারউইন টেস্টের এই জয়টা কি একটু বাড়তি স্পেশাল না? শুধু স্পেশাল না, সবচেয়ে ঐতিহাসিকও বটে।
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কন্ঠেও একই শুরু। তার মতে, যেকোনো ফরম্যাটে এটি বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় জয়।
ডারউইনে ব্যাটে-বলে শান্ত-হাসানদের দাপটে ফলাফল চলে এলো চার দিনেই। ৯ উইকেটের বিশাল জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধান এগিয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সিরিজের পরের টেস্টটা ম্যাকাইয়ে। যেটি শুরু হবে আগামী ২২ আগষ্ট।
ম্যাচ শেষে অফিশিয়াল সম্প্রচারে ক্যাপ্টেনদের সঙ্গে আলাপ পর্বে শান্ত নিজেদের উল্লাস, গর্ব আর ম্যাচের বিভিন্ন দিক নিয় জানান অজিদের সাবেক তারকা অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে। সেখানে জয়ের মুহূর্ত নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। নিজের ওপর অনেক গর্বিত। পুরো দল আমরা অনেক কষ্ট করেছি, অনেক পরিশ্রম করে জিতেছি।’
ব্যাটে-বলে বাংলাদেশের এমন দাপুটে পারফর্ম চমকে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। কারণ ম্যাচটা তো অজিদের মাঠে, আর তাদের পূর্ণ শক্তির দলের বিপক্ষে। তাই তো গিলক্রিস্ট এটাই প্রশ্ন করে বসলেন, এটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়ে তকমা পাচ্ছে কি-না? সেখানে শান্তর উত্তর, ‘অবশ্যই। এটা সবচেয়ে বড় জয়। যেকোনো ফরম্যাটে আমাদের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা আরও এগিয়ে যেতে চাই।’
প্রথম ইনিংসে পেসারদের আর দ্বিতীয় ইনিংসে দাপট স্পিনারদের। দলের এই দারুণ কম্বিনেশনের কিছুটা কৃতিত্ব দিতেই হয় শান্তকে। গিলক্রিস্টও তাই করলেন। আর সেই প্রসঙ্গে শান্ত আরও বলেন, ‘এটাই আমাদের দলের সবচেয়ে বড় চেঞ্জ। এর আগে পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইত না। আর আমরাও তেমন ম্যাচ পেতাম না। তবে এখন পেসাররা এই ফরম্যাট নিয়ে বেশ আগ্রহী, তারা এখানে নিজেদের সেরাটা দিতে চায় আর দিচ্ছেও।’