কবিতা

শতকিয়া

পৃথিবীতে তখনো শীত ছিল মানুষের দীর্ঘশ্বাসের মতো। 
তখনো উঠোনে মেলে রাখা ওড়না, ধুলোয় গড়ালে খুব হতাশ লাগত। 
কোনো কাজ হাতে না উঠে যদি, কী করে তারে সারা যায়!
ধুলোপড়া আলমারি গোছাতে গোছাতে পুরাতন প্রেম ভেঙে যাওয়ার দুঃখকে মনে করি। 
হলুদের কৌটোর মতো খুব আলগা মনে হয় সব, এই যেন ছড়ায়ে ছিটায়ে যাবে মেঝেতে। 
বারবার কে গোছায় মৃতের শরীর! 
একটা নিরীহ চুমুর কথা ভেবে খুব অগোছালো লাগে।
ধূসর সন্ধ্যার হাওয়া ঘুরে আসে আমার দিকে। 
লৌকিক ঘুম আর মৃত্যুর মাঝামাঝি ঝুলে আছে দুই প্রান্তের শীত। 
লক্ষ্মীপেঁচার ঝিমুনির মতো ঠান্ডা কোনো নারীর হৃদয়ে রাত আসে।
একঘেয়ে...
আট বছর আগের সকল কিছু পড়ে থাকে উদাসীনতায়।