স্কুল ছুটির পাঁচ ঘণ্টা পর বাথরুমের তালা ভেঙে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে। ঘটনাটি ঘটে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার প্রতিদিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিল মেয়েটি। কিন্তু ছুটির পর সময় গড়ালেও বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে রাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কাজ করা নির্মাণ শ্রমিকরা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ একটি বাথরুমের ভেতর থেকে অস্পষ্ট গোঙানির শব্দ শুনতে পান। সন্দেহ হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে বাথরুমের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং মেয়েটিকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করেন।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ভুক্তভোগীর মা জানান, স্কুল ছুটির পর তার মেয়ে বাথরুমে ঢোকার সময় আচমকা পেছন থেকে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় আঘাত করে। এরপর তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাথরুমের ভেতর আটকে রেখে পালিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন মেয়ের শরীরে ইনজেকশন পুশ করার আলামত এবং ব্লেড দিয়ে কাটার একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেয়। এই ঘটনার পেছনে কারা জড়িত তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানোয়ার জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ তদন্ত চলছে।